গার্মেন্টস কর্মীকে বিয়ে করে কুড়িগ্রামে ‘চীনা নাগরিক’

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কুড়িগ্রাম
প্রকাশিত: ০৩:০১ পিএম, ১৭ মে ২০২৬

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে নিজেকে চীনের নাগরিক পরিচয় দিয়ে শ্বশুরবাড়িতে আসা এক যুবককে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

রোববার (১৭ মে) সকালে বিদেশি জামাইয়ের বেশ কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে জেলাজুড়ে আলোচনা শুরু হয়। এর আগে গতকাল শনিবার ওই যুবক প্রথমবারের মতো উপজেলার ধর্মপুর কালিয়াটারি গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে আসলে উৎসুক জনতা ওই বাড়িতে ভিড় জমান।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধর্মপুর এলাকার মোফাজ্জল হোসেন ও শাহেরা বেগম দম্পতির মেয়ে মোর্শেদা খাতুন (২৫) ঢাকার একটি গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। সেখানে কাজ করার সময় ওই যুবকের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে গত ২০ এপ্রিল পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

বিয়ের পর শনিবার প্রথমবারের মতো স্বামীকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে আসেন মোর্শেদা। এ সময় আন হুং ওয়েই নামে ওই যুবক নিজেকে চীনের নাগরিক হিসেবে পরিচয় দিলে বিষয়টি দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ তাকে একনজর দেখতে ভিড় করেন।

স্থানীয়রা জানান, বিদেশি নাগরিক পরিচয় পাওয়ায় অনেকের মধ্যেই কৌতূহল তৈরি হয়। তবে ওই যুবকের কাছে থাকা পাসপোর্ট, ভিসা কিংবা অন্যান্য পরিচয়পত্র সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

মোর্শেদা খাতুন বলেন, ‘মোবাইল ফোনে আমাদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে ও আমাকে পছন্দ করে ঢাকায় বিয়ে করে। আমাকে চীনে নিয়ে যাবে বলে কথা দিয়েছে। তাই গ্রামের বাড়িতে ওকে নিয়ে ঘুরতে এসেছি।’

স্থানীয় ইউপি সদস্য (মেম্বার) ফেরদৌস আলম বলেন, চীনের নাগরিক এসেছে— এমন খবর পেয়ে ওই মেয়ের বাড়িতে গিয়ে দেখি উৎসুক মানুষের ভিড়। পরে তাদের বিয়ের কাবিননামা দেখেছি। তারা গত ২০ এপ্রিল বিয়ে করেছেন।

ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান নাঈম জানান, প্রেমের সম্পর্কের টানে চায়নার যুবক ফুলবাড়ীর মেয়েকে বিয়ে করে কাশিপুরে এসেছে বিষয়টি জেনেছি। খোঁজখবর নিয়ে বিস্তারিত জানাতে পারব।

রোকনুজ্জামান মানু/কেএইচকে/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।