দিনাজপুরে বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচরের দাফন সম্পন্ন
সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিমের বাবা ও দিনাজপুর জেলার রাজনৈতিক অভিভাবক, বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর, মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিব নগর সরকারের পশ্চিমাঞ্চলীয় জোনের চেয়ারম্যান ও সংবিধান প্রণেতা সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাড. এম. আব্দুর রহিমের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
সোমবার বেলা ১১টায় দিনাজপুর গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে লাখো মুসল্লীর অংশগ্রহণে তার জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। পরে দুপুর ২টায় সদর উপজেলার ৮নং শংকরপুর ইউনিয়নের পাঁচকুড় ঈদগাহ মাঠে চতুর্থ ও শেষ নামাজে জানাযার পর নিজ গ্রাম জালালপুরে পারিবারিক গোরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন করা হয়।
জানাযার নামাজে দিনাজপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত মুসল্লীরা অংশগ্রহণ করেন। আগামী ৭ সেপ্টেম্বর দিনাজপুর স্টেশন ক্লাবে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।
জানাযা পূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, মরহুমের ছেলে হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি।
এসময় মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী অ্যাড. মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, জেলা পরিষদের প্রশাসক আজিজুল ইমাম চৌধুরী, দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মীর খায়রুল আলম, পুলিশ সুপার মো. হামিদুল আলমসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও এসময় দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল উপস্থিত ছিলেন।
পরে জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সিদ্দিক গজনবীর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন।
এর আগে সকাল ১০ টায় শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য প্রবিণ এই নেতার মরদেহ দিনাজপুর গোর-এ শহীদ ময়দানে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাখা হয়। এসময় বিভিন্ন ব্যাক্তি, সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান মরহুমের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পূষ্পস্তবক অর্পন করেন।
উল্লেখ্য, গতকাল রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। ওইদিন বিকেলেই জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় তার প্রথম জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।
ঢাকা আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে তার দ্বিতীয় জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরিন শারমীন চৌধুরীসহ জাতীয় নেতৃবৃন্দ তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন।
এমদাদুল হক মিলন/এফএ/আরআইপি