সাবেক স্পিকার মালেক উকিলের ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার জননেতা আবদুল মালেক উকিলের ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। এ উপলক্ষে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
সকালে নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, মরহুমের কবর জিয়ারত ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
এ সময় মরহুমের বড় ছেলে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য গোলাম মহিউদ্দিন লাতু, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহীনসহ জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, বিকেলে নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে কোরআনখানি, মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
মরহুম আবদুল মালেক উকিল ১৯২৪ সালের ১ অক্টোবর নোয়াখালী সদর উপজেলার রাজারামপুর গ্রামের এক সম্ভান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ও এলএলবি পাস করে ওই বছরেই নোয়াখালী বার অ্যাসোসিয়শনে এবং ১৯৬২ সালে হাইকোর্টে যোগদান করেন এবং ১৯৬৪ সালে পাকিস্তান বার কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হন।
১৯৪৬ সাল থেকে রাজনৈতিক জীবনে তিনি দফায় দফায় কারাবরণ করেন। ১৯৫৬ ,১৯৬২, ১৯৬৫ সালে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য হিসেবে সমন্বিত বিরোধী দলীয় নেতা মনোনিত হন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বর্হিবিশ্বে বাংলাদশের পক্ষে জনমত গঠনে তার অবদান জাতি কৃতজ্ঞাচিত্তে আজও স্মরণ করছেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সরকারের আমলে তিনি প্রথমে স্বাস্থ্যমন্ত্রী পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এবং জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ সালে তিনি বিরোধী দলের উপ-নেতা হিসেবে মৃত্যুর পূর্বক্ষণ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৭৮ সালের ৫ মার্চ তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৮৭ সালের ১৭ অক্টোবর ঢাকা শহীদ সোহরাওয়াদী হাসাপাতালে ৬৩ বছর বয়সে এই সংগ্রামী নেতা ইন্তেকাল করেন।
মিজানুর রহমান/এসএস/আরআইপি