সোনাইমুড়ী অন্ধকল্যাণ সমিতি আই হসপিটাল চালু

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১০:০৩ এএম, ০৬ নভেম্বর ২০১৬

দীর্ঘ ৪০ বছর পর নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় নির্মিত ‘সোনাইমুড়ী অন্ধকল্যাণ সমিতি আই হসপিটাল’র আউটডোর চিকিৎসা সেবা চালু হয়েছে।

উপজেলার পাপুয়া গ্রামে নির্মিত এ হসপিটালে শনিবার সকাল ১০টায় মিলাদ ও দোয়ার মধ্যে দিয়ে চালু হয় সেবা কার্যক্রম।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অন্ধ কল্যাণ সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মমিনুল ইসলাম বাকের, প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া, প্রকল্প পরিচালক আবদুর রহমান, হসপিটালের পরিচালক ডা. আলতাফ হোসাইন শরীফ, সমিতির মনিন্দ্র কুমার মজুমদার, আবুল বাসার, ডা. মো. মোস্তফা, হোসেন মোল্লা, ডা. উত্তম কুমার মজুমদার প্রমুখ।

হসপিটালের পরিচালক ও কনসালটেন্ট চুক্ষ বিশেষজ্ঞ ডা. আলতাফ হোসাইন শরীফ জাগো নিউজকে বলেন, অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সম্বলিত এ হাসপাতালে এখন থেকে শুক্রবার ব্যতিত সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত আউটডোর (বহির্বিভাগ) চিকিৎসা সেবা দেয়া হবে। পর্যায়ক্রমে ইনডোর (আন্তঃবিভাগ) চালু করা হবে এবং সকল চোখের সকল প্রকার চিকিৎসা দেয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, দরিদ্র রোগীদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা দেয়া হবে। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার ফি নেয়া হবে না।

সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া জাগো নিউজকে বলেন, ‘সেবাই মানুষকে মহৎ করে’ স্লোগান নিয়ে ১৯৭৮ সালে কয়েকজন মহৎ মানুষের উদ্যোগে সোনাইমুড়ী অন্ধ কল্যাণ সমিতি প্রতিষ্ঠা করা হয়।

অরাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে সোনাইমুড়ী অন্ধ কল্যাণ সমিতি সমাজের কিছু মহান মানুষের অনুদান নিয়ে পথ চলা শুরু করে। সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও সোনাইমুড়ী অন্ধ্য কল্যাণ সমিতির যৌথ অর্থায়নে আধুনিক চক্ষু হাসাপাতালটি নির্মাণ করা হয়েছে। এটি পুরোদমে চালু হলে (নোয়াখালী-ফেনী ও লক্ষীপুর) ও কুমিল্লার জেলার কিছু অংশ নিয়ে প্রায় ৪০ লাখ লোকের বিনামূল্যে চোখের চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হবে।

মিজানুর রহমান/এএম/এবিএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।