বড়পুকুরিয়া খনি শ্রমিকদের চাকরি স্থায়ীকরণে আল্টিমেটাম


প্রকাশিত: ১২:২৮ পিএম, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৬

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি শ্রমিকরা চাকরি স্থায়ীকরণের জন্য আল্টিমেটাম দিয়ে আগামী ১৩ ডিসেম্বর কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে কয়লাখনির প্রশাসনিক গেটে বড়পুকুরিয়া খনি শ্রমিক ইউনিয়ন সংবাদ সম্মেলন করে এই কর্মসূচি ঘোষণা করে।

সংগঠনের পক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা করেন খনি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি রবীউল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বড়পুকুরিয়া খনি শ্রমিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা ও পার্বতীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাফিজুল ইসলাম প্রামাণিক, খনি শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান, সাবেক সভাপতি ওয়াজেদ আলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুর ইসলাম, শ্রমিক নেতা জাকির হোসেন, এরশাদ আলী, রাহেনুল ইসলাম, শাহিনুর রহমান প্রমুখ।

খনি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি রবিউল ইসলাম বলেন, ২০১১ সালের চুক্তি অনুযায়ী খনি শ্রমিকরা ২৯৭ টাকা দরে দিন হাজিরায় খনি ভূগর্ভে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন। এজন্য শ্রমিকরা মাসে ১৫-২০ দিনের বেশি কাজ করতে পারেন না। ২৯৭ টাকা দিন হাজিরায় ১৫-২০ দিনের হাজিরা দিয়ে শ্রমিকদের পরিবারের খরচ জোগানো কঠিন হয়ে পড়েছে। অথচ ঘরে বসে যারা কাজ করেন, তাদের একজন পিওনের বেতন ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। আমরা এই বিষয়টি বারবার কর্তৃপক্ষকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি, কিন্তু কর্তৃপক্ষ কোনোভাবে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি পূরণ করেনি। তাই এখন শ্রমিকদের আন্দোলন করা ছাড়া কোনো উপায় নেই।

এ বিষয়ে বড়পুকুরিয়া কোল মাইন কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিএমসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল আওরঙ্গজেবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আন্দোলনকারী শ্রমিকদের কোম্পানির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, চীনা সিএমসি ও এক্সএমসির ২০১১ সালের চুক্তি অনুযায়ী বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হচ্ছে। আগামী চুক্তিতে যাতে এই শ্রমিকরা উপযুক্ত বেতন-ভাতা পায় সে বিষয়ে কোম্পানি চুক্তিতে শর্ত রাখা হবে।
    
এমদাদুল হক মিলন/আরএআর/জেআই

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।