আড়াই মাস পর কারামুক্ত রসরাজ


প্রকাশিত: ০৬:৪০ এএম, ১৭ জানুয়ারি ২০১৭

ফেসবুকে ধর্ম অবমাননার ছবি পোস্টের অভিযোগে পুলিশের করা আইসিটি আইনের মামলায় আড়াই মাস পর কারামুক্ত হলেন আলোচিত রসরাজ দাস (৩০)।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটের দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগার থেকে ছাড়া পান তিনি।

জেলা কারাগার থেকে বেরিয়ে মামা ইন্দ্রজিৎ দাস, বড় ভাই দয়াময় দাস ও ভগ্নিপতি নেপাল চন্দ্র দাসের সঙ্গে সিএনজি অটোরিকশাযোগে নিজ বাড়ি নাসিরনগর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের হরিণবেড় গ্রামের পথে রওনা হন রসরাজ।

এর আগে সোমবার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো ইসমাঈল হোসেন পরবর্তীয় পুলিশ প্রতিবেদন আদালতে দাখিল না হওয়া পর্যন্ত রসরাজের জামিন মঞ্জুর করেন। তবে এদিন জামিন সংশ্লিষ্ট কাজপত্র কারা কর্তৃপক্ষের কাছে না পৌঁছানোয় ছাড়া পাননি তিনি।

পরে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আদালত থেকে জামিন সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানো হয়।

এদিকে, রসরাজের এলাকায় ফেরার পর তার নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে জানিয়েছেন জেলার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসাইন।

তিনি জাগো নিউজকে জানান, নাসিরনগর উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হওয়ার সম্ভবনা নেই। তবে আমরা তৎপর রয়েছি।

তবে রসরাজ দাসের মামা ইন্দ্রজিৎ দাস জাগো নিউজকে জানান, আমরা গ্রামে ফিরে গিয়ে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে কথা বলেই রসরাজের বাড়িতে থাকা না থাকার ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৯ অক্টোবর ফেসবুকে ধর্মীয় অবমাননাকর ছবি পোস্টের ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের মামলায় গ্রেফতার হন নাসিরনগর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের হড়িণবেড় গ্রামের জগন্নাথ দাসের ছেলে রসরাজ দাস (৩০)।

পরে ৮ নভেম্বর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে রসরাজের জামিনের শুনানি হয়। তবে ওই সময় আদালত রসরাজের জামিন নামঞ্জুর করেন।

এরপর ২ ডিসেম্বর জামিন আবেদনের পর জেলা ও দায়রা জজ আদালত শুনানি শেষে ৩ জানুয়ারি পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন। ওই দিন আদালত রসরাজের উপস্থিতিতে জামিন শুনানির জন্য ১৬ জানুয়ারি পরবর্তী দিন ধার্য করেন।

আজিজুল সঞ্চয়/এফএ/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।