পুলিশের ধাওয়া খেয়ে আসামির মৃত্যু


প্রকাশিত: ১০:১০ এএম, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

বগুড়ায় পুলিশের ধাওয়ায় আসামি সাহেব আলী (৫৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার ভোরে শেরপুর উপজেলার সীমাবাড়ী ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী শিমলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সাহেব একই গ্রামের মৃত হাসান আলীর ছেলে।

নিহতের স্বজন আব্দুল মালেক জানান, গত ১ ফেব্রুয়ারি জমিতে সেচ দেয়া নিয়ে সাহেব আলী ও আবু সাঈদের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় সাহেব আলীর পক্ষের একজন গুরুতর আহত হয়ে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন।

বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মিমাংসার চেষ্টা করা হচ্ছিল। কিন্তু উল্টো এ ঘটনায় আবু সাঈদের ছেলে শাহীন বাদী হয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি শেরপুর থানায় ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার ৮নং আসামি ছিলেন সাহেব আলী।

এদিকে, মামলা দায়েরের পর সোমবার ভোরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরপুর থানা পুলিশের এসআই শামসুজ্জোহা ফোর্স নিয়ে ওই গ্রামে আসামি ধরতে যান। এক পর্যায়ে সাহেব আলীকে ধরতে গেলে তিনি ও তার ছেলে পালানোর জন্য দৌড় দেন। পরে বাবা-ছেলে পুলিশের গ্রেফতার এড়াতে পাশের ফুলজোড় নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়েন।

ছেলে সাঁতরে নদীর ওপারে যেতে পারলেও বাবা সাহেব আলী নদী পার হতে পারেন নি। এক পর্যায়ে তিনি পানিতে তুলিয়ে যান।

ঘটনার পরে স্থানীয়রা গুরুতর অবস্থায় সাহেব আলীকে উদ্ধার করে প্রথমে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে। এরপর সেখানে দুপুরের দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বগুড়া ছিলিমপুর টাউন ফাঁড়ি পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা টিএসআই শাহ আলম সাহেব আলীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

শেরপুর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) শামসুজ্জোহা বলেন, ভোরে মামলার তদন্ত করতে শিমলা গ্রামে গিয়েছিলাম। পুলিশ যাওয়ার খবর শুনে তিনি পালিয়ে যান। তদন্ত করে আমি থানায় চলে আসি।

পরে মামলার ৮নং আসামি সাহেব আলীর মৃত্যুর খবর শুনি। পুলিশের ধাওয়া খেয়ে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ার বিয়ষটি তিনি অস্বীকার করেন।

এআরএ/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।