সাতক্ষীরার মতো সম্ভাবনাময় জেলা দ্বিতীয়টি নেই


প্রকাশিত: ১০:২৭ এএম, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

সাতক্ষীরা জেলার মতো সম্ভাবনাময় জেলা আর দ্বিতীয়টি নেই। সৌন্দর্যের লীলা রয়েছে সাতক্ষীরার প্রাকৃতিতে। পর্যটন, আম, চিংড়ি, সহজে আমদানি-রফতানির সুযোগ রয়েছে সাতক্ষীরায়। এই সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে জাগো নিউজকে এসব কথা বলেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দীন।

তিনি আরও বলেন, সরকারিভাবে ইতোমধ্যে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কলবাড়ি এলাকায় ২৫ একর জমির ওপর আকাশলীনা ইকো ট্যুরিজমের কাজ শেষ হয়েছে।

যেখানে বিনোদনপ্রেমী পর্যটকরা সুন্দরনের প্রকৃতি খুব কাছ থেকে উপলব্ধি করতে পারবেন। পাশেই ২৫ একর জমির ওপর আরেকটি এগ্রোটেকনোলজি ইকোপার্ক বিনোদন কেন্দ্র করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা সদরের বাকাল এলাকায় ৫ একর ৮০ শতক জমির ওপর ডিসি ইকোপার্ক নামে আরেকটি বিনোদন স্পট করা হচ্ছে। যা বিনোদন প্রেমীদের খোরাক জোগাবে।

satkhira

সাতক্ষীরার উন্নয়ন ও পর্যটনে প্রধান বাধা রাস্তাঘাট। সমাধান করছেন কীভাবে? এমন প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দীন জাগো নিউজকে বলেন, সাতক্ষীরার প্রধান সড়ক সার্কিট হাউজ থেকে বাঁকাল পর্যন্ত রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার হওয়ার কথা রয়েছে। তাছাড়া মন্ত্রণালয়ে লেখা হয়েছে, রাস্তার বিষয়ে।

তিনি বলেন, যাদের দায়িত্বে কাজটি করার কথা তারা করছেন না। আমি সাতক্ষীরার কেউ নয়। তারপরও সাতক্ষীরাকে নিজের মনে করে উদ্যোগ নিয়ে সাতক্ষীরার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। স্থানীয়রা যদি উদ্যোগী না হয় তবে সমস্যার সমাধান শুধু জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সম্ভব নয়।

জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি জায়গা অবৈধ দখলমুক্ত করে উপজেলা পর্যায়ে বিনোদনের ব্যবস্থা করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ভোমরা স্থল বন্দরে যাত্রীসেবা বাড়ানোর জন্য কাজ চলমান।

তিনি আরও বলেন, সাতক্ষীরার হিমসাগর আম ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে রফতানি হচ্ছে। দুধ উৎপাদন হচ্ছে। যা দেশের বিভিন্ন স্থানে রফতানি করা হয়। চিংড়ি রপ্তানি হচ্ছে বিদেশে। সাতক্ষীরার মাছ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রফতানি হয়। এ সময় সাতক্ষীরার উন্নয়ন ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগতে সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে আহ্বান জানান তিনি।

আকরামুল ইসলাম/এএম/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।