মির্জাপুরে মুক্তিযোদ্ধা বাছাই কার্যক্রম বন্ধ


প্রকাশিত: ০৩:১১ পিএম, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। বাছাই কমিটির সদস্য সচিব মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বিরুদ্ধে কমিটির অন্য সদস্যরা অনাস্থা আনায় যাচাই-বাছাই কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।

শনিবার ছিল উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ের প্রথম দিন। মির্জাপুর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ে অংশ নিতে প্রায় ৬০০ প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা গেজেটে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য আবেদন করেন।

শনিবার ছিল যাচাই-বাছাইয়ের প্রথম দিন। কিন্তু সাত সদস্যের গঠিত বাছাই কমিটির অধিকাংশ সদস্য বাছাই কমিটির সদস্য সচিব নির্বাহী অফিসার ইসরাত সাদমীনের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনে শুক্রবার লিখিত অভিযোগ দেন।

বাছাই কমিটির সভাপতি হলেন মো. একাব্বর হোসেন এমপি এবং অন্য সদস্যরা হলেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার অধ্যাপক দুর্লভ বিশ্বাস, সাবেক কমান্ডার খলিলুর রহমান, কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সদস্য অধ্যাপক আলী আকবর খান ডলার, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার প্রতিনিধি আব্দুর সাত্তার ভূঁইয়া ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সাংগঠনিক কমান্ডার সিদ্দিকুর রহমান।

বাছাই কমিটির সদস্য উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার অধ্যাপক দুর্লভ বিশ্বাস বলেন, সদস্য সচিবের প্রতি আমাদের আস্থা না থাকায় আমরা তার বিরুদ্ধে অনাস্থা এনে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। এদিকে যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে অংশ নিতে শনিবার সকালে অনেক মুক্তিযোদ্ধা মির্জাপুরে আসেন।

পরে তারা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য নির্ধারিত স্থান উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এসে শুধুমাত্র কমিটির সদস্যসচিব নির্বাহী অফিসারকে বসে থাকতে দেখেন এবং জানতে পারেন যাচাই-বাছাই কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত সাদমীন বলেন, কমিটির সদস্য সচিব শুধুমাত্র সাচিবিক দায়িত্ব পালন করবেন। আমি সারাদিন অপেক্ষা করেছি। কিন্তু কমিটির অন্য কোন সদস্য আসেননি।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের জানান, আস্থা-অনাস্থার বিষয়টি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় দেখবেন।

এস এম এরশাদ/এএম/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।