রমজানে দুর্ভোগ পোহাতে দেবে না টিসিবি


প্রকাশিত: ০২:০৬ পিএম, ০৯ মে ২০১৫

রমজান শুরু হতে বাকি এখনও দেড় মাসের মতো। এবার আগেভাগেই প্রস্তুতি শুরু করেছে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। রমজান শুরুর আগেই পণ্য মজুদ বাড়াতে চায় রাষ্ট্রায়াত্ত এই প্রতিষ্ঠানটি। লক্ষ্য রমজানে জনদুর্ভোগ কমানো। প্রতি বছর রমজানে ডাল, ভোজ্যতেল, চিনি ও ছোলার বাড়তি চাহিদায় দেশের বাজারে দাম অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে। এমনকি ওই সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে দামও ঊর্ধ্বমুখী থাকে। এ কারণে এবার আগে থেকেই এসব পণ্য আমদানির প্রক্রিয়া শুরু করেছে টিসিবি।

যদিও রমজানে দেশের মোট চাহিদার সামান্য অংশ সরবরাহ করছে সংস্থাটি। তবু সঙ্কটের সময় সরবরাহ বাড়িয়ে দাম স্থিতিশীল রাখার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের চাহিদা মেটাতে এ উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে জানান কর্মকর্তারা।

খুলনা টিসিবির আঞ্চলিক অফিস প্রধান রবিউল মোর্শেদ জাগো নিউজকে বলেন, অন্য বছর রমজানের আগে স্বল্প সময়ে আমদানির প্রক্রিয়া শুরু করায় নানা জটিলতায় পড়তে হয়েছে। এ কারণে এবার আগাম প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। বাজার চাহিদার ওপর ভিত্তি করে মজুদ বাড়ানো হচ্ছে। রমজানের জন্য ভোজ্যতেল, ছোলা ও খেজুর এই তিনটি পণ্য আমদানির প্রক্রিয়া শুরু করেছে টিসিবি। দেরিতে আমদানি করায় ২০১২ সালে রমজানে খেজুর অবিক্রিত ছিল। এর ফলে গতবার খেজুর আমদানি করা হয়নি। তবে এবার খেজুর আমদানি করা হবে।

এছাড়াও টিসিবির তত্ত্বাবধানে এখন পর্যন্ত পর্যাপ্ত ছোলা, তেল, ডাল ও চিনি মজুদ রয়েছে। মজুদ করা এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে তেল ৪ লাখ লিটার, চিনি প্রায় ৩শ` টন, ডাল ৫০ টন ও ছোলা ২২৫ টন। খুলনা অঞ্চলের ১৪ জেলায় ৫৩০ জন ডিলারের মাধ্যমে এ পণ্য সরবরাহ করা হবে। এছাড়াও খুলনা মহানগরীসহ বিভিন্ন জেলায় ট্রাকের মাধ্যমেও পণ্য বিক্রি করা হবে। মজুদকৃত এ পণ্য ছাড়াও চাহিদা পাঠানো হবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে। প্রয়োজেনে আরও সরবরাহ করা হবে।

ব্যবসায়ীদের একটি সূত্র জানান, রমজানে সাধারণত কয়েকটি পণ্যের চাহিদা বাড়ে। এক শ্রেণির ব্যবসায়ীরা সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পণ্যের দাম বাড়িয়ে থাকেন। এ অবস্থারোধে জনগণের চাহিদা মোটানোর লক্ষ্যে সরকারি এ দফতর থেকে পণ্য সরবরাহ করে থাকে।

আলমগীর হান্নান/এমজেড/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।