রমেকে নার্সদের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ : তদন্ত কমিটি গঠন
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিনিয়র ও জুনিয়র নার্সদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
আহতরা হলেন, রফিকুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, মামনুর রশিদ, বিপ্লব, শামীম, কামালসহ ১০ জন। তাদের সেখানেই চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে শনিবার দিনভর উত্তেজনা বিরাজ করছিলো হাসপাতালে।
এদিকে এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা.একেএম নুর-উন-নবী লাইজুকে সভাপতি, নার্সিং কলেজের ইন্সপেক্টর রেজিয়া খাতুনকে সদস্য সচিব এবং উপ-সেবা তত্ত্বাবধায়ক পরিবানুকে সদস্য করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত ১১ টার দিকে হাসপাতালে ডিউটি করছিলেন তৃতীয় বর্ষের নার্স তমা রানী সরকার ও সিনিয়র স্টাফ নার্স মাসুদার রহমান। ডিউটি চলাকালীন তমা রেস্ট রুমে অবস্থান করছিলেন। এসময় মাসুদার রহমান ওই রুমে গিয়ে তাকে নানাভাবে উত্যক্ত করে।
এদিকে তমা হোস্টেলে গিয়ে এ ঘটনা অন্যদের জানানোর পর রাতেই তার সহকর্মী শিক্ষার্থীরা হাসপাতালে এসে নার্স অ্যাসোসিয়েশনের সুপারভাইজার আতাউর রহমানের কাছে নিরাপত্তা চেয়ে অভিযোগ করেন। এ নিয়ে সেখানে সিনিয়র নার্সদের সাথে জুনিয়র নার্সদের কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ১০ জন আহত হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
তমা রানী সরকার অভিযোগ করেন, মাসুদার তাকে দীর্ঘদিন থেকে নানাভাবে উত্যক্ত করে আসছিল। বিষয়টি তিনি নার্স অ্যাসোসিয়েশনকে অভিযোগ করেও কোনো কাজ হয়নি। তবে মাসুদার রহমান এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
এদিকে হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা.একেএম নুর-উন-নবী লাইজুকে সভাপতি, নার্সিং কলেজের ইন্সপেক্টর রেজিয়া খাতুনকে সদস্য সচিব এবং উপ-সেবা তত্ত্বাবধায়ক পরিবানুকে সদস্য করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিনদিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।
হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. আব্দুল কাদের খান জাগো নিউজকে বলেন, তদন্ত কমিটির রিপোর্ট হাতে পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসএস/পিআর