বিপদসীমার নিচে নেমেছে তিস্তার পানি


প্রকাশিত: ০৩:১২ পিএম, ০৩ জুলাই ২০১৭

তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধিতে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলা এলাকায়। পাশাপাশি তিস্তার বন্যার দুর্গতদের জন্য সরকারের পক্ষে জেলা প্রশাসনের ত্রাণ ভান্ডার হতে জিআর’র ৪০ মেট্রিক টন চাল ও ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ডালিয়া বিভাগের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, গত দুইদিন ধরে উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে বিপদসীমার (৫২ দশমিক ৪০) ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আসায় তিস্তা নদীতে বন্যা দেখা দেয়।

এতে তিস্তা অববাহিকার ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার চর ও গ্রাম প্লাবিত হয়ে ১০ হাজার পরিবার বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে।

এদিকে, উজানের ঢল কিছুটা কমে আসায় সোমবার তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার নিচে নেমে আসে। সকাল ৬টা থেকে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

এতে পানি কমেছে ৩০ সোন্টিমিটার। তবে বিকেলে তিস্তার পানি আরও তিন সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পায়। যেকোনো সময় উজানের ঢল নেমে এলে এতে নদীর পানি পুনরায় বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে। বর্তমানে নদীর পানি বিপদসীমার নিচে নেমে আসায় তিস্তার বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি ঘটে।

অপরদিকে তিস্তা নদীর বন্যার দুর্গতদের জন্য সরকারের পক্ষে জেলা প্রশাসনের ত্রাণ ভান্ডার হতে জিআর’র ৪০ মেট্রিক টন চাল ও ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এর মধ্যে ডিমলা উপজেলার জন্য ২৫ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ৩৫ হাজার টাকা এবং জলঢাকা উপজেলার জন্য ১৫ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ১৫ হাজার টাকা রয়েছে।

জেলা প্রশাসক খালেদ রহীম জাগো নিউজকে বলেন, তিস্তা নদীর বন্যা বিশেষ করে হয়ে থাকে উজানের ঢলে। ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলায় বন্যার শুরুতেই যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের জন্য চাল ও নগদ অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এছাড়া তিস্তা বন্যা এলাকার সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হয়েছে।

জাহেদুল ইসলাম/এএম/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।