খুলনায় ১৫ দিনব্যাপি বৃক্ষমেলার উদ্বোধন


প্রকাশিত: ০৯:১৪ এএম, ২০ জুন ২০১৫

পাহাড়, সমতল, উপকূলে, গাছ লাগাই সবাই মিলে শ্লোগানকে সামনে রেখে খুলনায় শুরু হয়েছে ১৫ দিনব্যাপি বিভাগীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০১৫। খুলনা মহানগরীর জাতিসংঘ শিশু পার্কে শনিবার মেলার উদ্বোধন করেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুস সামাদ।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিভাগীয় কমিশনার জগৎ সৃষ্টির সাথে বৃক্ষের সম্পর্ক  উল্লেখ করে বলেন, তাপমাত্রা সহনীয় রাখা, বিষাক্ত কার্বন ক্যাপচারসহ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষের অবদান অনস্বীকার্য।  ফ্রিজ, এয়ারকুলার, পচা ধানের চিটা থেকে নিঃসৃত মিথেন গ্যাস প্রতিরোধেও বৃক্ষের ভূমিকা অন্যতম। বাংলাদেশের সাফল্যের তালিকায় বৃক্ষরোপণ অভিযান উল্লেখযোগ্য স্থান দখল করে আছে। বৃক্ষের কোন কিছুই অপ্রয়োজনীয় নয়।  মরুকরণ ও জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বেশি করে গাছ লাগানো এবং এর পরিচর্যায় উদ্যোগী হবার জন্য তিনি সবাইকে আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা জেলা প্রশাসক মো. মোস্তফা কামাল, পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেন এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. আব্দুল লতিফ। এতে সভাপতিত্ব করেন খুলনা সার্কেল বন সংরক্ষক ড. সুনীল কুমার কুন্ডু। স্বাগত বক্তৃতা করেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা জহির উদ্দিন আহমেদ। অন্যান্যের মধ্যে খুলনা নার্সারী মালিক সমিতির সভাপতি বদরুল আলম বক্তৃতা করেন।

খুলনা জেলা প্রশাসন, সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর যৌথভাবে এ মেলার আয়োজন করে। মেলা চলবে প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত। সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের স্টলসহ মেলায় মোট ৪২টি স্টল রয়েছে। এছাড়া একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ রয়েছে। মেলায় দেশি-বিদেশি ফুল, ফল, বনজ, ওষধি, শোভা বর্ধণকারী বিভিন্ন প্রজাতির চারা ও কলম প্রদর্শনী ও বিক্রির জন্য আনা হয়েছে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিপুল সংখ্যক গণমাধ্যম কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

এর আগে প্রধান অতিথির নেতৃত্বে শহীদ হাদিস পার্ক হতে মেলা উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যা লি শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জাতিসংঘ শিশু পার্কে এসে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

আলমগীর হান্নান/এসএস/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।