ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান নিয়ে লঙ্কাকাণ্ড
কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের পাশে পাহাড় কেটে বহুতল ভবন নির্মাণ বন্ধে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নোমান হোসেন ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বে রোববার এ অভিযান চালানো হয়। এসময় অবৈধভাবে নির্মাণাধীন ৪টি বাড়ির অংশবিশেষ ভেঙে দেয়া হয়। পরে দক্ষিণ ডিককুল এলাকা থেকে দুই ব্যক্তিকে আটক করে সাত দিনের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এদিকে প্রশাসনের এমন কার্যক্রম বন্ধের দাবিতে এলাকার কয়েকশ নারী-পুরুষ বিকেলে প্রধান সড়ক অবরোধ করে। উত্তেজিত জনতা সেখানে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে। পরে পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয়রা জানান, কয়েকজন অসাধু ব্যক্তি এলাকাবাসীকে উচ্ছেদ করার গুজব ছড়িয়ে অবরোধ ও বিক্ষোভ ছড়িয়ে দিয়ে নাশকতামূলক পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করেছিল। পরে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি বিষয়টি বুঝতে পেরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় লোকজন জানান, ওই এলাকায় সরকারি জমিতে যুগ যুগ ধরে হাজার হাজার মানুষ বসবাস করছে। প্রশাসন সেখানে কোনো উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছে না। তবে সরকারি ওই জমিতে অনুমোদন ছাড়া পাহাড় কেটে বহুতল ভবন নির্মাণ বন্ধে পদক্ষেপ নেয়। প্রশাসন সেখানে যেসব ব্যক্তি অবৈধভাবে বহুতল ভবন নির্মাণ করছে শুধুমাত্র তাদের স্থাপনা উচ্ছেদে নেমেছে। কিন্তু কয়েকজন অসাধু ব্যক্তি ঘটনাটিকে পুরো এলাকাবাসীকে উচ্ছেদ করার গুজব ছড়িয়ে নাশকতামূলক পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করে। আর ওই কয়েকজনের জন্য পুরো এলাকাবাসীর ক্ষতি হচ্ছে।
কক্সবাজার সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজিম উদ্দিন জানান, সরকারি পাহাড় কেটে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে দুইজনকে আটক করে ৭ দিনের কারাদণ্ড দেয়।
সায়ীদ আলমগীর/এফএ/জেআইএম