রাস্তার ধারে পিঠার পসরা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি পটুয়াখালী
প্রকাশিত: ০৪:৫৪ এএম, ২০ ডিসেম্বর ২০১৭

পটুয়াখালী শহরের গোরস্থান রোর্ড এলাকার পঞ্চাশোর্ধ্ব বাসিন্দা জলিল প্যাদা। পেশায় একজন ব্যবসায়ী। সোমবার রাতে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছান তিনি। ওখানে পৌঁছানোর পর যেটা সবার আগে তার নজর কাড়ে তা হলো রাস্তার পাশে শীতের বাহারি পিঠাপুলির দোকান।

ব্যবসায়ী জলিল প্যাদা বলেন, অতিথিরা ঢাকা যাবে, সবার শীতও করছে। গাড়ি আসতে একটু সময় হবে তাই এই দোকানের চিতই ও ভাপাপিঠা খেয়েছি।

বাসস্ট্যান্ড এলাকার পিঠা ব্যবসায়ী নুর জাহান বেগম জানান, ভাপাপিঠা ৫ টাকা, চিতই পিঠা ৫ টাকা, সাজের পিঠা ৫ টাকা, বড়াপিঠা পিঠা ৫ টাকা, চডা পিঠা ৫ টাকা, ডিম চডা-১৫ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি করেন তারা। প্রত্যেক শীত মৌসুমেই এ ব্যবসা করেন। বেশ ভালোই আয় হয়।

pitha

নুর জাহান বেগমের দোকানে ভাপা ও চিতই পাবেন হাতের নাগালেই। নারকেল আর খেজুর গুড় তৈরি ভাপা এবং সরিষা, মচির, কাচাকলা, সুটকি, ধনে পাতা, লাউশাক, পোটলের ছোলাসহ হরেক পদের ভর্তার সঙ্গে চিতই ও চটা পাওয়া যায়।

শুধু এখানেই নয় পটুয়াখালী শহরের সদর রোড, লঞ্চঘাট, নতুন বাজার, পুরান বাজার, নিউ মার্কেট, শিমুল বাগ, পিডিএস মাঠ, শিমুলবাগ, ব্রিজ টোল, বাস স্ট্যান্ডসহ বাউফল, দুমকী, গলাচিপা, মির্জাগঞ্জ, কলাপাড়া এলাকার পথে পথে বিক্রি শুরু হয়েছে শীতের পিঠা। শীতের বাহারি পিঠাপুলির পসরা সাজিয়ে বসেছেন এরকম একাধিক দোকানি। বিকেল ৪টার পর থেকে পিঠা বিক্রি শুরু করে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে।

ক্রেতা সুমন সাহা জাগো নিউজকে বলেন, আগের মত বাসাবাড়িতে এসব পিঠার আয়োজন করা হয় না। এছাড়া পেশাগত কারণে অনেক সময় বাড়ির বাইরে থাকতে হয়। তাই বাড়িতে টুকটাক পিঠা তৈরি করা হলেও তা খাওয়া হয় না। ফলে রাস্তার পাশের দোকানেই শীতের পিঠার স্বাদ নিতে হয়।

মহিব্বুল্লাহ্ চৌধুরী/এফএ/আইআই

আপনার মতামত লিখুন :