প্রেম করে বিয়ে, হাসপাতালে স্ত্রীর লাশ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি রাজবাড়ী
প্রকাশিত: ০৯:১৯ এএম, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৭

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গৃহবধূ সিমা খাতুনের মরদেহ রেখে পালিয়েছে তার স্বামীসহ পরিবারের লোকজন। পাংশা থানার পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।

সিমার বাবা বলেছেন, সিমাকে তার স্বামী উজ্জ্বল মণ্ডল ও পরিবারটির সদস্যরা হত্যা করেছে। দুই বছর আগে প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন সিমা ও উজ্জ্বল।

কুষ্টিয়ার খোকশা উপজেলার বসুরা গ্রামের কুদ্দুস মণ্ডলের মেয়ে সিমা খাতুন (২০)। উজ্জ্বল মণ্ডল (২৫) পাংশার কলিমহর ইউনিয়নের বসাকুষ্টিয়া গ্রামের লোকমান মণ্ডলের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সিমা রাজধানী ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিকের কাজ করতেন। সেখানে থাকা অবস্থায় উজ্জ্বলের সঙ্গে তার পরিচয় ও প্রেম হয়। দুই বছর আগে তারা বিয়ে করেন। বিয়ের পর উজ্জ্বল বসাকুষ্টিয়ায় নিজ বাড়িতে সিমাকে নিয়ে ওঠেন।

কুদ্দুস মণ্ডল জানান, তার ছয় মেয়ের মধ্যে সিমা চতুর্থ। তারা দরিদ্র পরিবার। নিজেরা বিয়ে করলেও মেয়ে-জামাতাকে তারা মেনে নেন। তবে বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক কলহ শুরু হয় সিমা ও উজ্জ্বলের।

মঙ্গলবার রাতে তারা শুনতে পান, পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিমার মরদেহ পড়ে আছে। তারা সেখানে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পান। এর কিছু সময় পর মরদেহটি পুলিশ পাংশা থানায় নিয়ে যায়।

কুদ্দুস মণ্ডলের দাবি, সিমাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর মুখে বিষ ঢেলে দিয়ে উজ্জ্বল ও তার পরিবারের সদস্যরা ওই হাসপাতালে নেয়। পরে তারা পালিয়ে যায়। উজ্জ্বলদের বাড়ির সব ঘর তালা মারা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পাংশা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে সিমার মরদেহ রেখে স্বামী উজ্জ্বল ও তার পরিবারের সদস্যরা পালিয়েছে। খবর পেয়ে তারা হাসপাতালে গিয়ে সত্যতা পান। সিমার বাবা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেছেন। গতকাল বিকেল পর্যন্ত উজ্জ্বল ও তার পরিবারের সদস্যদের খোঁজ পায়নি পুলিশ।

এএম/আইআই

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।