নেত্রকোনায় বিএনপির ৬৭৯ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি নেত্রকোনা
প্রকাশিত: ০৩:৩৩ পিএম, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

নেত্রকোনার ১০টি থানার ২০ মামলায় ৬৭৯ জন বিএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে চলছে পুলিশের ধরপাকড়ের অভিযান। মঙ্গলবার রাতে এসব মামলা দায়ের হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশের বিশেষ সূত্র।

নেত্রকোনার ১০টি থানার পরিদর্শকের সূত্রে জানা গেছে, বিস্ফোরক ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে এসব মামলায় ৬৭৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।

নেত্রকোনা মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক আমীল তৈমুর ইলী জাগো নিউজকে জানান, উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাকির হোসেন বাদী হয়ে বিস্ফোরক আইনে ও বিশেষ ক্ষমতা আাইনে পৃথক দুটি মামলা করেন। দুটি মামলাতেই জেলা বিএনপির সভাপতি আশরাফ উদ্দিন খান, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডা. আনোয়ারুল হককে আসামি করা হয়েছে।

কেন্দুয়া থানা পুলিশের পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম জাগো নিউজকে জানান, থানায় বিস্ফোরক ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে পৃথক দুটি মামলায় কেন্দ্রীয় বিএনপি সদস্য ও কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপি সভাপতি রফিকুল ইসলাম হিলালী ও কেন্দুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়াকে আসামি করা হয়েছে।

দূর্গাপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আওয়াল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মুজিবুর রহমান, নেত্রকোনা জেলা ওলামা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলনা মো. জসিম উদ্দিন, জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি এস এম দেলোয়ার হোসেন, সহ-সভাপতি রায়হান ফারাস বাপ্পী, জেলা যুবদল নেতা আলম, সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক ফারুক আহমেদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জুবায়েদ হোসেন রনি, মদন পৌর বিএনপির দফতর সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন আঙ্গুর, মদন উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মো. লিটন মিয়া, আটপাড়া উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মো. ইমরুল হোসেন, কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপির সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, খালিয়াজুরী উপজেলা ছাত্রদল নেতা মো. মাজহারুল ইসলাম পলিন।

নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম আশরাফুল আলম জাগো নিউজকে জানান, মামলাগুলোতে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীদের আসামি করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার গ্রেফতার করা হয়েছিল ২৩ জনকে।

এসব মামলায় এ ৩৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। গ্রেফতারদের আদালাতে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলেও জানান তিনি।

কামাল হোসাইন/এএম/আরআইপি

আপনার মতামত লিখুন :