শিশুদের মুখে হাসি ফোটালো ‘একতার স্পন্দন’
ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় ও ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত সেবামূলক সংগঠন ‘একতার স্পন্দন’ এবারের ঈদেও গরীব শিশুদের মাঝে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগির জন্য ‘ওদের হাসি’ নামক একটি ইভেন্টের আয়োজন করেছে।
শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে ৪১ জন গরীব-অসহায় শিশুর হাতে ঈদের পোশাক ও শিক্ষা উপকরণ তুলে দেয়া হয়। সেই সঙ্গে তাদের পরিবারের জন্য দেয়া হয় কিছু ঈদ সামগ্রী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মু. সাদেক কুরাইশী।
ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্রীমন্ত কুমার সেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁওয়ের সিভিল সার্জন আবু মো. খয়রুল কবির, ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাহমুদুন নবী রাজা।

আজ ইভেন্টের দিনক্ষণ ঠিক করা থাকলেও শিশুদের মন মতো পোশাক কিনে দিতে ইভেন্টের কয়েকদিন আগেই তাদের নিয়ে যাওয়া মৌচাক সুপার মার্কেটে। শিশুগুলোর হাতে তুলে দেয়া হয় তাদের পছন্দমতো পোশাক। দুইদিনে মোট ৪১ জন শিশুকে মার্কেটে এনে পছন্দমতো পোশাক কিনে দেয় তারা। আজ ছিল শুধুই আনুষ্ঠানিকতা।
অনুষ্ঠানে আগত অতিথিরা আয়োজক একতার স্পন্দনের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, গতবারের মতো এবারও একতার স্পন্দন তাদের সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। যা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।
ঈদের পোশাক নিতে আসা গোবিন্দনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী জাহিদ বলে, ভাইয়া-আপুগেলা আমাক আমার পছন্দমতন কাপড় কিনে দিছে। এই কাপড়গেলা পিন্দা এবারের ঈদটাও ভালো কাটবো।
আয়োজক সংগঠনটির সভাপতি মো. আক্কাস আলী আকাশ বলেন, প্রতিবারের ন্যায় এবারও আমরা কিছু সংখ্যক গরীব শিশুর মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করেছি। সকলের সহযোগিতা পেলে ভবিষ্যতেও এই আয়োজন অব্যাহত থাকবে।
রবিউল এহসান রিপন/আরএআর/আরআইপি