যশোরে বিধ্বস্ত বিমানের ৯৫ শতাংশ উদ্ধার
যশোরে বিমান বাহিনীর বিধ্বস্ত প্রশিক্ষণ বিমানটির ‘ফ্লাইট ডাটা রেকর্ডার’ সংক্ষেপে ‘এফডিআর’ উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার দুপুরে উদ্ধার অভিযানে নিয়োজিত ডুবুরি দল ওই যন্ত্রাংশটি উদ্ধার করে বলে জানিয়েছেন যশোর ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক পরিমল চন্দ্র কুন্ডু।
গত ১ জুলাই রাতে যশোর সদর উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়নের বুকভরা বাওড়ে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এরপর নৌ, বিমান, সেনা ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা যৌথ উদ্ধার অভিযান চালিয়ে আসছেন।
যশোর ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক পরিমল চন্দ্র কুন্ডু জানান, কয়েকদিনের অভিযানের পর আমরা নিশ্চিত হয়েছে বিমানের ইঞ্জিন ২০-২৫ ফুট মাটির নিচে চলে গেছে। এরপর গতকাল (বৃহস্পতিবার) নতুন পদ্ধতি প্রয়োগ করেছি। পদ্ধতিটা হলো পানির নিচে মাটি কেটে পানি দিয়ে উদ্ধার প্রক্রিয়া।
শুক্রবার সকালে নৌ, বিমান, সেনা ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার অভিযান শুরু করে। এক পর্যায়ে ডুবুরিরা বিধ্বস্ত বিমানের ‘ফ্লাইট ডাটা রেকর্ডার’ উদ্ধার করেছে।
তিনি আরও বলেন, বিধ্বস্ত বিমানের ৯০-৯৫ শতাংশ উদ্ধার হয়েছে। বাকি অংশ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। অভিযান আর কতদিন চলবে, সেটি নির্ভর করবে আন্তঃবাহিনীর সিদ্ধান্তের ওপর।
গত ১ জুলাই রাত আনুমানিক রাত ৯টা ৬মিনিটে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ১টি কে-৮ ডব্লিউ প্রশিক্ষণ বিমান যশোর বিমানবন্দরের অদূরে পশ্চিম পাশে বুকভরা বাওড়ে বিধ্বস্ত হয়। বিমানটি বিমান বাহিনী ঘাঁটি বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান হতে রাত ০৮টা ৫১ মিনিটে নৈশকালীন প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করে।
বিমানটি নিয়ে দু’জন বৈমানিক স্কোয়াড্রন লিডার এনায়েত কবীর পলাশ এবং স্কোয়াড্রন লিডার মো. সিরাজুল ইসলাম উড্ডয়ন করেছিলেন। বিমান বিধ্বস্তে তারা দু’জনই নিহত হন।
মিলন রহমান/এমএএস/পিআর