রাজবাড়ীতে প্রস্তুত করা হচ্ছে ১১ হাজার পশু

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি রাজবাড়ী
প্রকাশিত: ০৯:৪৪ এএম, ১০ আগস্ট ২০১৮

রাজবাড়ীর পাঁচ উপজেলায় কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সর্বমোট ১১ হাজার ৩১টি পশু প্রস্তুত করা হচ্ছে। ঈদের প্রায় ৮ থেকে ১০ মাস আগে থেকেই খামারিরা পশু মোটাতাজা করতে শুরু করেন।

জেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রাজবাড়ীর পাঁচ উপজেলায় ৩ হাজার ৫৯২ জন খামারি ১১ হাজার ৩১টি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করছেন। যার মধ্যে ৬ হাজার ১৪৮টি ষাড়, ৬১টি বলদ, ১ হাজার ১৫০টি গাভী, ৬টি মহিষ, ৪টি ভেড়া ও ৩ হাজার ৬২৬টি ছাগল।

খামার পরিচর্যাকারীরা জানান, খামারে কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা গরুগুলোকে তারা সব সময় দেখাশুনাসহ খামারের সার্বিক কাজ করেন।

খামারিরা জানান, ধানের কুড়া, কাঁচা ঘাস, গমের ভুষি, ভুট্টা, ডাল, সরিষার খৈল, আগের গুড় ও লবণসহ প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে পশু মোটাতাজাকরণ করা হচ্ছে।

তবে তাদের দাবি, এবারের ঈদে ভারত থেকে পশু আমদানি বন্ধ করা হলে বাংলাদেশি খামারিরা যেমন লাভবান হবেন তেমনি আগামীতে খামার করতে উৎসাহিত হবেন অনেকে।

জেলার সদর উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ড. সরকার আশরাফুল ইসলাম জানান, সদর উপজেলাসহ জেলার প্রতিটি উপজেলায় কোরবানির ঈদ উপলক্ষে প্রতিটি খামারে সার্বক্ষণিক নজরদারি করছেন তারা। প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে পশু মোটাতাজাকরণ করার জন্য খামারিদের উৎসাহিত করছেন। জেলায় প্রায় সাড়ে ৭ হাজারের মতো ষাড়, বলদ ও গাভীর পাশাপাশি হাজার হাজার ছাগল-ভেড়া প্রস্তুত করা হচ্ছে। প্রতিটি পশুর হাটে তাদের মেডিকেল টিম থাকবে এবং জেলায় প্রায় ২৩টি পশুর হাট বসবে। তবে ভারতীয় গরু এলে খামারিরা লোকসানে পড়বেন বলেও জানান তিনি।

রুবেলুর রহমান/এফএ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।