ইউপি মেম্বার ও পঞ্চায়েত নেতাকে এক করতে গিয়ে সংঘর্ষ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি হবিগঞ্জ
প্রকাশিত: ০৪:৩১ পিএম, ২৫ আগস্ট ২০১৮
ফাইল ছবি

হবিগঞ্জের লাখাইয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’দল গ্রামবাসীর মাঝে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে পুলিশ ও নারীসহ অন্তত ৩৫ জন আহত হয়েছেন। এর মাঝে গুরুতর আহত অবস্থায় ২১ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৬ রাউন্ড রাবার বুলেট ছুড়ে। শনিবার দুপুরে ওই উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, ফুলবাড়িয়া গ্রামের ইউপি মেম্বার খসরু মিয়া এবং গ্রামের পঞ্চায়েত নেতা আসর আলী একই গ্রুপের ছিলেন। সম্প্রতি আসর আলী নিজের দলবল নিয়ে আলাদা হয়ে যান। শুক্রবার রাতে খসরু মিয়ার পক্ষের মুরুব্বীরা তাদের পুনরায় মিলিয়ে দেয়ার জন্য বৈঠকে বসেন। এতে আসর আলীকে ডাকা হলে তিনি হাজির হননি। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন ইউপি মেম্বার খসরু মিয়া।

তিনি শনিবার দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত দলবল নিয়ে আসর আলীর গ্রুপের লোকজনকে ডাকাডাকি শুরু করেন। এসময় অপর গ্রুপের লোকজনও অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এতে দু’দলেরই ৩৫ জন আহত হন। আহতদের মাঝে শেখ জসিম উদ্দিন, মোছা. রেহানা আক্তার, মিছির আলী, আবুল কাশেম, শাহজাহান, পারভেজ, লিয়াকত আলী ও নার্গিস আক্তারকে সদর আধুনিক হাসপাতালে এবং রিপন মিয়া, সূর্য বাহারসহ আরও ১১ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অপর আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।

এছাড়া আহত লাখাই থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. এমরান হোসেন, ওসি তদন্ত অজয় চন্দ্র দেব, এএসআই রুকেশ, কনস্টেবল নাছির ও আল আমিনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে লাখাই থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. এমরান হোসেন জানান, বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত আছে। তবে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন/এমএএস/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।