চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যের হামলায় দুই সহোদরসহ আহত ৩

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি বেনাপোল (যশোর)
প্রকাশিত: ০২:২১ পিএম, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

যশোরের শার্শা উপজেলার ডিহি ইউনিয়নে পৃথক ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যানের হাতে নবীজ উদ্দিন নামে একজন ও ইউপি সদস্য সালামকে চাঁদা না দেয়ায় তার লোকজনের হামলায় দুই সহোদর গুরুতর আহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনা দুটি ঘটে। হামলায় আহতরা হলেন- শার্শা উপজেলার গোপিনাথপুর বটতলা গ্রামের হাবুল বেপারির ছেলে কামাল (৪৪) ও জামাল (৪২) এবং পাকশি গ্রামের সুলতান খার ছেলে নবীছ উদ্দিন (৪৮)। আহতদের স্থানীয় নাভারন বুরুজবাগান স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

নাভারন বুরুজবাগান স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন দুই ভাই কামাল ও জামাল হোসেন বলেন, তার বোন তহুরন নেছার জন্য সম্প্রতি একই গ্রামের আব্বাছের কাছ থেকে এগার শতক জমি কিনে। কিন্তু স্থানীয় ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী ইউপি সদস্য সালাম জমির মালিক আব্বাছকে জমি লিখে দিতে নিষেধ করে আমাদের বলে ওখান থেকে তাকে চার শতক জমি নতুবা এক লাখ টাকা দিতে হবে। আমরা দিতে রাজি না হওয়ায় ইউপি সদস্য সালাম ও তার লোকজন আকরাম, বাদশা, সোলেমান, সামারুল আমাদের ওপর হামলা চালিয়ে বেদম মারধর করে। পরে স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

অভিযুক্ত ইউপি সদস্য সালাম জানান, কামাল ও জামালকে কোনো মারধর করা হয়নি। তারা নিজেরাই মারামারি করে আমাদের উপর দোষ চাপাচ্ছে।

অপরদিকে একই ইউনিয়নের পাকশি গ্রামের নবীছ উদ্দিন বলেন, মাঠে খেলা করার সময় একটি ক্রিকেট বল স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান হোসেন আলীর ভাইয়ের দোকানে পড়ে। এঘটনার জের ধরে চেয়ারম্যান তার ভাতিজা রনিকে ডেকে নিয়ে মারধর করে। ভাতিজাকে মারাধরের প্রতিবাদ করলে হোসেন চেয়ারম্যান তাকেও বেধড়ক মারধর করে গুরুতর আহত করে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান হোসেন আলী বলেন, আমি তাকে কোনো মারধর করিনি। ঘটনার এক ঘণ্টা পর আমি ঘটনাস্থলে যাই।

শার্শা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম মশিউর রহমান বলেন, এ সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ তিনি পাননি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মো. জামাল হোসেন/আরএ/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।