মওদুদের বিষয়ে প্রশাসনকে সজাগ থাকতে বললেন কাদের

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নোয়াখালী
প্রকাশিত: ০৪:৫৯ পিএম, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৮

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের বিষয়ে প্রশাসনকে সজাগ থাকতে বলেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, আমি তো ভয় পাচ্ছি মওদুদ নিজের লোক দিয়ে কখন বোমা ফাটিয়ে নির্বাচন কমিশনকে বলবে তার ক্যাম্পেইন করতে বাধা দেয়া হচ্ছে । আমি এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনসহ প্রশাসনকে বলব তারা যেন সজাগ থাকে।

শনিবার নিজ নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট) আসনের বিভিন্নস্থানে গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সেতুমন্ত্রী এসব কথা বলেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ।

ওবায়দুল কাদের বলেন, খালেদা জিয়ার বিষয়ে ন্যায্যতা কিসের? বাংলাদেশের আইন, নিয়ম-কানুন সব কি তাদের স্বার্থের জন্য বিসর্জন দিতে হবে? তাদের স্বার্থের জন্য দেশের নতুন কোনো আইন তৈরি করতে হবে? তারা মনে করেন দণ্ডিত ব্যক্তিকে ক্ষমা করে দিতে হবে নির্বাচন করার জন্য, এ আইন দেশের কোথাও নেই। কোর্টের রায় কারও লঙ্ঘন করার ক্ষমতা নেই।

বিএনপি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি তাদেন ঘর গোছাতে পারেনি। ঐক্যের যে জগাখিুচরি তারা তা পদে পদে টের পাচ্ছে। টাকা নিয়ে মনোনয়ন না দেয়াতে আজ মনোনয়ন বঞ্চিতরা মিছিল করছে। তাদের ভাঙা হাট আর জমবে না।

kader02

নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে তিনি বলেন, পরিবেশ ঠিকই আছে। ব্যারিস্টার মওদুদ নিজেই নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করছেন। লাঠিসোটা নিয়ে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দিতে গেছেন। নিজের নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে বোমা ফাটিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করছেন। তিনি ২২ বছর এখানে ক্ষমতায় ছিলেন। একটা কাজও দেখাতে পারবেন না ভোটারদের কাছে যা তিনি করেছেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মানুষ উন্নয়ন চায়। শতভাগ বিদ্যুৎ ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ডিজিটাল সুবিধা পাচ্ছে মানুষ। মানুষ দেখছে কে মেট্রো রেল করছে, কে ফোর লেন করছে, নোয়াখালীর দুঃখ নোয়াখালী খাল কে খনন করছে।

তিনি বলেন, পৃথিবীর সকল গণতান্ত্রিক দেশে ক্ষমতাসীন সরকার নির্বাচনের সময় দায়িত্ব পালন করেন। নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করেন। মন্ত্রিসভা ছোট বা বড় করার পুরো এখতিয়ার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। তবে এটি ঠিক নির্বাচনের সময় অনির্বাচিত কোনো ব্যক্তি মন্ত্রিসভায় থাকতে পারে না।

সেতুমন্ত্রী বলেন, অলরেডি টেকনোক্রেট কোটার চারজন মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। সেটি প্রধানমন্ত্রী হয়ে এখন রাষ্ট্রপতির কাছে আছে। আগামীকাল ৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ। তাই আগামীকালের পর ওই চারজন আর মন্ত্রীর দায়িত্বে থাকবেন না।

মিজানুর রহমান/আরএআর/জেআইএম

আপনার মতামত লিখুন :