সৈকতের ঝাউবাগানে গড়ে উঠছে ‘শেখ রাসেল শিশু পার্ক’

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার
প্রকাশিত: ০৮:২৭ পিএম, ০৩ ডিসেম্বর ২০১৯
ঝাউবাগান ঘিরে সাড়ে ছয় একর জমিতে গড়ে উঠছে শেখ রাসেল শিশু পার্ক

কক্সবাজার নগরীর সাগর পাড়ের কবিতা চত্বর পয়েন্টে ঝাউবাগান ঘিরে সাড়ে ছয় একর জমিতে গড়ে উঠছে ‘শেখ রাসেল শিশু পার্ক’। দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে ২০২০ সালের শুরুতে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ দিয়ে অনেকটা দৃশ্যমান হবে পার্কটি। এমনটি জানিয়েছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। আর এ কাজে সহযোগিতা করছে কক্সবাজার পৌরসভা।

মঙ্গলবার (০৩ ডিসেম্বর) বিকেলে মেয়রের কার্যালয়ে পার্ক বাস্তবায়ন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কক্সবাজার পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান এবং পার্ক বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ আশরাফুল আফসারের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে জেলা প্রশাসনের প্রস্তাবনার প্রেক্ষিতে প্রাথমিকভাবে পৌরসভার পক্ষ থেকে পার্কের বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ বাবদ ১০ লাখ টাকা জেলা প্রশাসনকে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এ সময় প্যানেল মেয়র-৩ শাহেনা আকতার পাখি, কাউন্সিলর আকতার কামাল, কাউন্সিলর মিজানুর রহমান ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা খোরশেদ আলমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পার্ক বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব ও পর্যটন সেল) মোহাম্মদ আশরাফুল আফসার বলেন, প্রায় সাড়ে ছয় একর জমিতে পার্কটি তৈরি হবে। প্রাথমিকভাবে পৌর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ বাবদ অর্থ দিতে সম্মত হয়েছেন মেয়র। আশা করি নতুন বছরের শুরুতে কক্সবাজারবাসীর বহুল প্রত্যাশিত পার্কটি আলোর মুখ দেখবে।

Cox's-Bazar-Shek-Rassell-Sh

পার্ক বাস্তবায়নে পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আশরাফুল আফসারের বৈঠক

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনসহ জমি সংক্রান্ত প্রাথমিক কাজ শেষ করেছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। ফলে আশা করা হচ্ছে দ্রুত বাস্তবায়ন হবে পার্কটি।

কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান বলেন, পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের কারণে কক্সবাজার বিশ্বময় পরিচিতি লাভ করেছে। ফলে প্রতিবছরই এখানে আসে দেশ-বিদেশ থেকে অসংখ্য পর্যটক। স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটকদেরও দাবি কক্সবাজারে একটি শিশু পার্ক নির্মিত হোক। বিভিন্ন সময়ে জেলা প্রশাসন থেকে শিশু পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হলেও জায়গা চিহ্নিত না হওয়ায় এতদিন সে উদ্যোগ সফল হয়নি। এখন জমি নির্ধারণ হওয়ায় অবশেষে জেলাবাসীর প্রাণের সেই দাবি পূরণ হওয়ার পথে রয়েছে।

প্রসঙ্গত, জেলা প্রশাসন ও শিশু পার্ক বাস্তবায়ন নাগরিক কমিটির উদ্যোগে কবিতা চত্বর ও বিয়াম স্কুলের মাঝামাঝি সৈকত সংলগ্ন স্থানে সাড়ে ছয় একর জায়গা জুড়ে নির্মাণ করা হবে পর্যটন নগরীর প্রথম শিশু পার্ক। গত ২৫ এপ্রিল শহীদ দৌলত ময়দানের শিশু মেলায় উপস্থিত শিশুদের দাবির প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেছিলেন, কক্সবাজারে শিশু পার্ক নির্মাণ করা হবে। সেই আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি উদ্যোগে শিশু পার্কটি নির্মাণ হচ্ছে।

সায়ীদ আলমগীর/এএম/এমকেএইচ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।