এবার একই স্থানে যুবলীগ নেতাকে গলা কেটে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক বগুড়া
প্রকাশিত: ০৫:০৪ পিএম, ১৪ জুন ২০২০

বগুড়া শহরে একটি হত্যার জের ধরে মাত্র ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে আরও একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (১৪) দুপুরে শহরের আকাশতারা এলাকায় আবু তালেব (৩২) নামে এক এক যুবলীগ নেতাকে প্রকাশ্যে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।

নিহত আবু তালেব বগুড়া শহর যুবলীগের সাবগ্রাম বন্দর কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি আকাশতারা গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেল। এর আগে শুক্রবার (১২ জনে) দুপুরে একই স্থানে প্রকাশ্য খুন করা হয় শাকিল নামের একজন বালু ব্যবসায়ীকে।

পুলিশ জানায়, আবু তালেব সাবগ্রাম থেকে চাল কিনে বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। বাড়ির কয়েকশ গজ অদূরে একদল দুর্বৃত্ত তার গতিরোধ করে। এরপর রাস্তার পাশে একটি কচুক্ষেতে ফেলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে তারা পালিয়ে যায়। ঘটনার সময় বগুড়া-গাবতলী সড়ক দিয়ে অসংখ্য মানুষ ও যানবাহন চলাচল করলেও কেউ এগিয়ে আসেনি দুর্বৃত্তদের ধরতে। নিহত আবু তালেবের বগুড়া শহরের হকার্স মার্কেটে ব্যাগের দোকান ছিল। এছাড়া তিনি এলাকায় বালুর ব্যবসা করতেন।

স্থানীয়রা জানান, ২০১৫ সালে নিহত আবু তালেবের ঘনিষ্ঠ বন্ধু যুবলীগ নেতা মানিককে হত্যা করা হয়। সে সময় আবু তালেব মানিক হত্যা মামলার আসামি আল আমিন নামে এক যুবককে ধরে মারপিট করে পা ভেঙে দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন। সেই আল আমিন ও তার সহযোগী রাফি শুক্রবার সংঘটিত শাকিল হত্যা মামলার আসামি হয়ে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। আল আমিনের সহযোগী রাফিও যুবলীগ নেতা মানিক হত্যা মামলার আসামি। নিহত শাকিলের সঙ্গে আবু তালেবের সখ্যতা ছিল। ধারণা করা হচ্ছে- একই কারণে দুটি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

এদিকে আবু তালেব হত্যাকাণ্ডের পর বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুঞা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন।

বগুড়া সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) রেজাউল করিম জানান, হত্যাকাণ্ডের কারণ জানা যায়নি। থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ধরতে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে রয়েছে।

আরএআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।