শ্রীপুরে কেমিক্যাল কারখানায় অগ্নিকাণ্ড : আরো ২ জনের লাশ উদ্ধার

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক শ্রীপুর (গাজীপুর)
প্রকাশিত: ০৩:১০ পিএম, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১

গাজীপুরের শ্রীপুরের টেপিরবাড়ী গ্রামের এএসএম কেমিক্যাল কারখানার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইড্রোজেন পার অক্সাইড প্লান্টের ধ্বংসাবশেষ থেকে আরও দুজনের মরদেহ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে কেমিক্যাল কারখানায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো তিনজনে।

শনিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে এই দুজনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে শ্রীপুর থানা পুলিশ।

ধ্বংসাবশেষ থেকে টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার থানার আওয়ালপুর গ্রামের সিরাজ ব্যাপারীর ছেলে আশরাফুল ইসলাম (৫০) ও কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দির থানার তুলাতুলি গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে নাসির উদ্দিনের (৩৯) মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এর আগে ওই কারখানার শ্রমিক শ্রীপুর পৌর এলাকার উজিলাব গ্রামের তাইজ উদ্দিনের ছেলে আলমগীর হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়

কারখানার সহকারী মহাব্যবস্থাপক আব্দুর রউফ বলেন, আশরাফুল মেকানিক্যাল ফিডার ও নাসির অপারেটর পদে কর্মরত ছিলেন। এর আগে এ কারখানা থেকে আলমগীর হোসেন নামের এক শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল। অগ্নিকাণ্ডের পর উভয়েই নিখোঁজ ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, কারখানার পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারকে দাফনের জন্য কিছু অর্থসহায়তা দেয়া হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী অন্যান্য পাওনাদি ও সহায়তা দেয়া হবে। আমাদের তালিকা অনুযায়ী আর কেউ নিখোঁজ নেই।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোন্দকার ইমাম হোসেন বলেন, আগুনে নিহত কারখানা শ্রমিকদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কারখানা কর্তৃপক্ষের অবহেলার অভিযোগ এনে অগ্নিকাণ্ডে নিহত শ্রমিক আলমগীরের স্ত্রী সালমা বেগম বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ওই কেমিক্যাল কারখানায় ভয়াবহ আগুন লাগে। হাইড্রোজেন পার অক্সাইড প্লান্টের বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে জানা যায়। এ সময় আশপাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলি ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

শিহাব খান/এসএমএম/এমকেএইচ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।