কলাগাছে তৈরি স্মৃতির মিনারে ভাষা শহীদদের স্মরণ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি পটুয়াখালী
প্রকাশিত: ০৩:০২ পিএম, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১

 

পটুয়াখালী জেলায় বেশির ভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নেই শহীদ মিনার। ফলে আন্তর্জাতিক ভাষা দিবসে এ জেলার বেশিরভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কলাগাছ পুঁতে সেখানেই ফুল দিয়ে জানানো হয় ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা। কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্থায়ীভাবে তৈরি করা হয় শহীদ মিনার।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার আট উপজেলায় মোট ১২৩৫ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এরমধ্যে ১০৪৪ বিদ্যালয়ে নেই শহীদ মিনার।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্থায়ী শহীদ মিনার না থাকলেও দিনটি উৎসাহ উদ্দিপনার মাধ্যমে পালন করে শিক্ষক- শিক্ষার্থীরা।

jagonews24

লতিফ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রাশিদা বেগম বলেন, ১৯৬৫ সালে স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। লতিফ মিউনিসিপ্যাল সেমিনারি কর্তৃপক্ষের দানকৃত ৯ কাঠা জমিতে এ স্কুল প্রতিষ্ঠিত। বিদ্যালয়ে ৪০০ শিক্ষার্থী থাকলেও নেই শহীদ মিনার। তাই প্রতি বছর শিক্ষার্থীদের নিয়ে পৌর শহীদ মিনারে গিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা জানানো হয়।

সদর উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম জানান, সদরে ২০৯ বিদ্যালয়ের মধ্যে ১৭৯টিতে শহীদ মিনার নেই। ফলে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনেকগুলো অস্থায়ী শহীদ মিনার তৈরি আবার কোনো বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পশের কোনো শহীদ মিনারে গিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

jagonews24

আবাসিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা আসমা আক্তার বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারির আগের দিন বিদ্যালয় মাঠে কলাগাছ দিয়ে শহীদ মিনার তৈরি করে শিশুরা। সেখানেই ফুল দিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা জানানো হয়।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ছাইয়াদুজ্জামান বলেন, গত সেপ্টেম্বরে মন্ত্রণালয়ে শহীদ মিনারের তালিকা দেয়া হয়েছে। জেলায় মোট ১৯১ বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার রয়েছে। এক হাজার ৪৪টিতে নেই স্থায়ী শহীদ মিনার।

এএইচ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।