কুকুর মারাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি হবিগঞ্জ
প্রকাশিত: ০৬:০৪ পিএম, ১১ এপ্রিল ২০২১

সিএনজিচালিত অটোরিকশার চাপায় কুকুর মারা যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জের মাধবপুরে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে কমপক্ষে অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছেন।

রোববার (১১ এপ্রিল) উপজেলার ঘিলাতলী ও মিঠাপুকুর গ্রামবাসীর মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আহতদের মধ্যে- মাতু মিয়া (৪৫), বাবুল মিয়া (৪৫), জসিম (২৫), মোহন (২১), আলী আজগর (৫০), কাওছার (৩০), আলাল মিয়া (৩৫), ফেরদৌস (১৭), মিলু মিয়া (৫০), আবুল মিয়া (৩০), সুহেল মিয়া (২৯), ফয়সল (২৮), মিলন (২৫), আব্দুল হক (৩০), ইদন (৫০), মাসুদ (১৫), রাজু (২০), নুরুল (২২), খালেক (২৭), তৌহিl (৫৭), আশিকুর (৩৬), হেলাল (৩৫), ইলিয়াস (৩৫), আব্দুল (৪৫), আল মিয়া (৩৮), রেনু মিয়া (৪২), মহিউদ্দিন (৫২), আনারুল (২৫), শাহিন (৩০), ফরিদ (৫০), ফয়েজের (২৪) নাম পাওয়া গেছে।

এলাকাবাসী জানান, মিঠাপুকুর গ্রামের সিএনজি চালক কাওছার ঘিলাতলী রাস্তা দিয়ে দ্রুত গতিতে যাওয়ার সময় বাজারে একটি কুকুরকে চাপা দেয়। কুকুরটি ঘটনাস্থলেই মারা যায়। এ নিয়ে ঘিলাতলী গ্রামের সুরুজ আলী ও সিএনজি চালক কাওছারের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এর জের ধরে উভয়গ্রামের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।

jagonews24

শুক্রবার রাতে বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য সালিশ বৈঠক হয়। কিন্তু ওইদিন সালিশেও দুই গ্রামবাসীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে রোববার উভয় গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হন। এর মধ্যে ছয়জনের অবস্থা গুরুতর। আহতদের মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

মাধবপুর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মহসিন আল মুরাদ জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

আদাঐর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফারুক পাঠান জানান, দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষের ঘটনাটি নিষ্পত্তি করার জন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন/এসজে/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]