বহরপুর-রামদিয়া সড়কের খানাখন্দে দুর্ঘটনার সঙ্গে ভোগান্তি

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি রাজবাড়ী
প্রকাশিত: ১০:২০ এএম, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১

দীর্ঘ প্রায় ৬ বছর ধরে হয়না কোনো সংস্কার। পুরো সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে ছোট বড় অসংখ্য খানাখন্দ। এতে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির বহরপুর বাজার থেকে রামদিয়া যাওয়ার আঞ্চলিক সড়কটি। রাস্তায় চলা যানবাহনের ক্ষতিতো হচ্ছেই পাশাপাশি ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনাও।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সাড়ে ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করে পন্যবাহী ট্রাক, মাইক্রোবাস, ইজিবাইক, নসিমন, ভ্যান, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন। আর এই সড়কটি দিয়ে সহজেই জেলা শহর, বালিয়াকান্দি ও কালুখালী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করা যায়। কিন্তু বর্তমানে রাস্তাটিতে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। কার্পেটিং উঠে বের হয়ে গেছে ইটের খোয়া। এতে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগে পড়ছেন এ রাস্তায় চলাচলকারীরা।

Rajbari-4.jpg

রাস্তায় চলাচলকারী যাত্রী ও পথচারীরা জানান, এ রাস্তা দিয়ে গাড়িতে যেতে গেলে ঝাকুনিতে পুরো শরীর ব্যথা হয়ে যায়। এছাড়া ইটের খোয়ায় যানবাহন অনেক সময় পিছলে যায়। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হয় রোগী নিয়ে যাতায়াতের সময়।

ভ্যান, অটোরিকশা, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গর্ত ও খোয়ার কারণে ধীরে ধীরে সর্তক হয়ে গাড়ি চালাতে হয় তাদের। তারপরও অনেক সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। এছাড়া গর্তে পড়ে গাড়ির ক্ষতি হয়।

Rajbari-4.jpg

এলাকার বিশিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তি বলেন, এটি উপজেলার জনগুরুত্বপূর্ণ একটি রাস্তা। কিন্তু বর্তমানে সড়কের দুরবস্থার কারণে সবাইকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এই রাস্তাটি বেশ কয়েকটি শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান, রেলস্টেশন, বাজারে যাওয়ার সহজ মাধ্যম।

বালিয়াকান্দি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন, রাস্তাটি শক্তিশালীকরণসহ ১৮ ফুট চওড়া করা হবে। এ বছরই কাজ শুরু হবে বলে জানান তিনি।

Rajbari-4.jpg

রাজবাড়ী এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী বিমল কুমার দাশ জানান, ঢাকা বিভাগের রাস্তা প্রশস্ত ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের আওতায় জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার জামালপুর থেকে বহরপুর হয়ে কালুখালীর সোনাপুর পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার রাস্তার সংস্কার কাজ দ্রুত শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এরই মধ্যে টেন্ডার আহ্বান করে ঠিকাদার নির্বাচন করা হয়েছে। রাস্তাটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩ কোটি টাকা। শিডিউল অনুযায়ী কাজটি তিন ধাপে সম্পূর্ণ হবে। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে কাজটি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

রুবেলুর রহমান/এফআরএম/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]