পাবনায় শ্বশুর বাড়ি থেকে বীমা কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার


প্রকাশিত: ০১:৪৪ পিএম, ০২ এপ্রিল ২০১৬

নিখোঁজের ৭দিন পর পাবনা সদর উপজেলার কামারগ্রামে ২য় স্ত্রীর বাপের বাড়ি থেকে বীমা কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান মনিরের (২৭) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নিহত মনিরের ২য় স্ত্রী রাবেয়াসহ ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে পুলিশ কামারগ্রাম থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে।

নিহত মনির সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নের তারাবাড়িয়া গ্রামের মাওলানা আব্দুল মজিদের ছেলে এবং এবং ফারইস্ট ইসলামী ইনস্যুরেন্স কোম্পানির কর্মকর্তা ছিলেন। আটক স্ত্রী রাবেয়া গয়েশপুর ইউনিয়নের কামারগ্রামের আবুল হোসেনের মেয়ে।

পাবনার সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) সদর সার্কেল শেখ মো. সেলিম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জাগো নিউজকে জানান, মোবাইল ফোনে সম্পর্কের জের ধরে রাবেয়ার সঙ্গে মনিরের বিয়ে হয়। টাকা পয়সা নিয়ে বিরোধ ও পারিবারিক কলহের জের ধরেই রোববার রাতে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে শ্বাসরোধ করে রাবেয়া ও তার পরিবারের লোকজন মনিরকে হত্যা করে। হত্যার পর মনিরের লাশ রাবেয়ার বাপের বাড়ির পাশে গর্ত করে পুতে রাখে।

এদিকে গত রোববার রাতে মনিরের নিখোঁজ হওয়ায় তার বাবার জিডির প্রেক্ষিতে পুলিশ শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাবেয়াকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যার দায় স্বীকার করে এবং এরপরই পরই পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।
 
পাবনা থানা পুলিশের ওসি আব্দুল্লাহ আল হাসান জাগো নিউজকে জানান, মনিরের আগে এক স্ত্রী রয়েছে। এরপর সে পরিচয় গোপন করে এবং নিজেকে পাবনা আলিয়া মাদরাসার কামিলের ছাত্র পরিচয় দিয়ে রাবেয়ার সঙ্গে প্রেম করে এবং তাকে বিয়ে করে।

ওসি আরো জানান, এ ঘটনায় পুলিশ রাবেয়া, রাবেয়ার মা এবং ভাইকে আটক করেছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

এমএএস/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।