বিশ্ব ব্যাংককে চ্যালেঞ্জ করে প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতু তৈরি করছেন
বিশ্ব ব্যাংককে চ্যালেঞ্জ করে স্বপ্নের পদ্মা সেতু নির্মাণ করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইতিমধ্যে সেতুর অনেক কাজ এগিয়েছে। দেশের প্রতি যাদের ভালোবাসা আছে তারাই দেশকে এগিয়ে নিতে পারে। সরকার সেই কাজটি করে দেখিয়েছে। ভিশন-২১ কে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।
বুধবার কুমিল্লা জিলা স্কুল প্রাঙ্গণে চ্যানেল আইয়ের উদ্যোগে প্রাক শিক্ষা বাজেট আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে এ আলোচনা সভা, বাজেট প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে প্রতিবছর নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে এ আলোচনা সভা করলে বাজেটের নীতি নির্ধারকের সুবিধা হবে। তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে হলে শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত করার জন্য শিক্ষামন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
শাইখ সিরাজের সঞ্চালনায় ডেপুটি স্পিকার আরো বলেন, সরকার বছরের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের হাতে ৩৩ কোটি বই তুলে দিয়ে ইতিহাস স্থাপন করেছেন, এ দৃষ্টান্ত পৃথিবীর কোথাও নেই। শিক্ষকদের বেতন দ্বিগুণ করা হয়েছে। সরকার এগিয়ে যাচ্ছে, এ জন্য সরকারকে আরো সময় দিতে হবে। শিক্ষাবান্ধব এ সরকার দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি চালু করেছে।
ফজলে রাব্বী বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শাস্তি হওয়ার কারণে বর্তমানে বাংলাদেশে ইভটিজিং নেই বললেই চলে। বাল্যবিবাহ বন্ধে অভিভাবকসহ সকলে সচেতন হতে হবে। কুমিল্লার অনেক ঐতিহ্য রয়েছে, এখান থেকে পড়াশুনা করে অনেক ব্যক্তি দেশ ও বিশ্বের উন্নয়নে কাজ করেছে এবং বর্তমানেও করছে। আমি মনে করি ওপরে আল্লাহ আর নিচে কুমিল্লা।
আয়োজনের প্রথমেই স্থানীয় সমস্যার কথা তুলে ধরেন শিক্ষার্থীরা। তারা বলেন, এখানে প্রধান সমস্যা হলো বাল্য বিবাহ, ইভটিজিং, মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুম চালু, আইসিটি শিক্ষাখাতে উন্নয়ন, লাইব্রেরিসহ নানা সমস্যার কথা।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো. হাসানুজ্জামন কল্লোল শিক্ষার্থীদের আশ্বাস দিয়ে বলেন, কুমিল্লায় ইভটিজিং নেই বললেই চলে, ইতিমধ্যে আমরা অনেকগুলো ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছি। এছাড়াও অন্যান্য সমস্যা সমাধান করা হবে বলে তিনি জানান।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল খালেক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নুরুল ইসলাম, লেখক শান্তনু কায়সার, ড.আলী হোসেন চৌধুরী, জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক রাশেদা বেগম, নবাব ফয়জুন্নেছার স্কুলের প্রধান শিক্ষক রোকসানা ফেরদৌসসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও অভিভাবক।
মো. কামাল উদ্দিন/বিএ