চাটমোহরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে জনতার সংঘর্ষে একজন নিহত


প্রকাশিত: ০২:৫৫ পিএম, ২৩ এপ্রিল ২০১৬

ফলাফল ঘোষণা করতে দেরি হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাবনার চাটমোহরে জনতার সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে এমদাদুল হক ইন্দা (৩৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। এসময় বিজিবি সদস্যসহ কমপক্ষে ১২ জন আহত হয়েছেন। নিহত এমদাদুল হক ইন্দা বাহাদুরপুর গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে।

শনিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে চাটমোহর উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের বাহাদুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, চাটামোহর উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট গণনা শেষ হলেও ফলাফল ঘোষণা করতে কর্তৃপক্ষ দেরি করতে থাকে। এতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমর্থকেরা ভোটকেন্দ্রে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এমনকি বিক্ষুব্ধ জনতা দায়িত্বরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আনসার ও বিজিবি সদস্যদের উপর হামলা চালায়। এরই এক পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে ব্যাপক ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইট পাটকেল নিক্ষেপ এবং কয়েকটি যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কমপক্ষে ১২ রাউন্ড ফাঁকা গুলি চালায়। এসময় একজন বিজিবি সদস্যসহ কমপক্ষে ১২ জন আহত হয়। আহতদের চাটমোহর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করার পর আহত এমদাদুল হক ইন্দা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
 
চাটমোহর থানা পুলিশের ওসি সুব্রত কুমার সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জাগো নিউজকে জানান, তিনি অন্য কেন্দ্রে ছিলেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান। কত রাউন্ড গুলি বর্ষণ হয়েছে তা এ মুহূর্তে বলা যাবেনা বলে তিনি উল্লেখ করেন।
 
এ  ঘটনার পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সহায়তায় ওই কেন্দ্রের ব্যালট বাক্স উপজেলা সার্ভারে নিয়ে যাওয়া হয়। জাগো নিউজকে চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সালাউদ্দিন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এদিকে এ ঘটনার পর থেকেই এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

জামান/এমএএস/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।