সরকারি কর্মসূচি বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের নির্দেশ মৎস্যমন্ত্রীর

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৪৬ পিএম, ১২ মে ২০২৬
সরকার ঘোষিত ১৮০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা বিষয়ক সভায় মৎস্যমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, সরকার ঘোষিত কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করতে হবে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশনা দেন তিনি।

মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভাটি ছিল সরকার ঘোষিত ১৮০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা বিষয়ক। এতে মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিবসহ তদূর্ধ্ব কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন প্রকল্প পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, সরকার ঘোষিত ১৮০ দিনের কর্মসূচি একটি অত্যন্ত জনকল্যাণমূলক ও গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং সরকারের দলীয় কমিটমেন্ট বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। জনগণের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় যারা কর্মসূচি বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছেন, তারা যেন যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করেন। সরকারের জনগণের প্রতি যে অঙ্গীকার রয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবার আন্তরিক ও পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সরকারের এ কর্মসূচির সুফল জনগণের কাছে পৌঁছে যাবে।

তিনি বলেন, কর্মসূচির প্রতিটি কার্যক্রমের ন্যূনতম তথ্য-উপাত্ত ও প্রমাণ সংরক্ষণ করতে হবে, যাতে প্রয়োজনে জনগণের সামনে বাস্তব অগ্রগতি উপস্থাপন করা যায়। ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কী ধরনের সুবিধা পেয়েছে, সে বিষয়ে স্বচ্ছ তথ্য সংরক্ষণ ও প্রচারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সহজভাবে অবহিত করতে হবে। শুধু ওয়েবসাইটভিত্তিক তথ্য প্রদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে মাঠপর্যায়ে দৃশ্যমান ও জনবান্ধব তথ্য প্রকাশ নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে কর্মসূচির বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে, যাতে জনগণ আস্থা ও বিশ্বাসের সঙ্গে সরকারের কার্যক্রম মূল্যায়ন করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি চাই এমন একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পরিবেশ গড়ে উঠুক, যেখানে আমরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারবো-সরকারের কার্যক্রম সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং জনগণ তার সুফল পাচ্ছে।’

এসময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জিয়া হায়দার চৌধুরী, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানসহ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্পের পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

এনএইচ/এমএএইচ/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।