শ্রম অধিকার নিশ্চিতে বিএলএফ-আইবিসি চুক্তি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:১৬ পিএম, ১৮ মে ২০২৬
শ্রম অধিকার, মানবাধিকার, শোভন কর্মপরিবেশ, ন্যায্য রূপান্তর এবং মানবাধিকারসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তদারকি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিএলএফ-আইবিসি চুক্তি সই অনুষ্ঠান, ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ লেবার ফাউন্ডেশন (বিএলএফ) এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল বাংলাদেশ কাউন্সিলের (আইবিসি) মধ্যে একটি যৌথ সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। শ্রম অধিকার, মানবাধিকার, শোভন কর্মপরিবেশ, ন্যায্য রূপান্তর এবং মানবাধিকারসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তদারকি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সোমবার (১৮ মে) এ সমঝোতা স্মারক সই করা হয়।

সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইবিসির সভাপতি কুতুবউদ্দিন আহম্মেদ, সাধারণ সম্পাদক বাবুল আখতার এবং আইবিসির অন্যান্য নেতাদের মধ্যে নাজমা আখতার, রাশেদুল আলম রাজু, সালাউদ্দিন স্বপন, কামরুল হাসান ও খাদিজা রহমান এবং বিএলএফের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন মহাসচিব জেড এম কামরুল আনাম, প্রোগ্রাম পরিচালক মো. রাইসুল ইসলাম খানসহ প্রমুখ।

সমঝোতা স্মারকে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ লেবার ফাউন্ডেশন (বিএলএফ) বাংলাদেশের শ্রমিকদের জন্য শোভন কাজ, সামাজিক ন্যায়বিচার ও টেকসই উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ একটি শ্রম অধিকারভিত্তিক সংগঠন।

অন্যদিকে, আইবিসি ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্লোবাল ইউনিয়নের অধিভুক্ত ট্রেড ইউনিয়নসমূহের জাতীয় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে মেটাল, কেমিক্যাল, জ্বালানি, ওষুধ, টেক্সটাইল, গার্মেন্টস, চামড়া ও জুতা শিল্পের শ্রমিকদের অধিকার ও কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।

চুক্তির আওতায় উভয় পক্ষ তৈরি পোশাক, চামড়া ও জুতা শিল্পে জেন্ডার-সংবেদনশীল মানবাধিকার যাচাই প্রক্রিয়া শক্তিশালী করা, শ্রমিক প্রতিনিধিদের সক্ষমতা বৃদ্ধি, কার্যকর অ্যাডভোকেসি পরিচালনা এবং শ্রমমান উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করবে। এছাড়াও বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

বিএলএফের চলমান ও আসন্ন প্রকল্প ‘ডিসেন্ট ওয়ার্ক ডিউ ডিলিজেন্স বাংলাদেশ’ এবং ট্রান্সফরমেশন টু অ্যান ইনক্লুসিভ অ্যান্ড অ্যাকাউন্টেবল গার্মেন্টস সেক্টর’-এর আওতায় বিভিন্ন যৌথ কার্যক্রম বাস্তবায়নে আইবিসি সক্রিয় সহযোগিতা দেবে।

সমঝোতা অনুযায়ী উভয় পক্ষ-মানবাধিকার যাচাই নিশ্চিত করতে নীতিনির্ধারণ ও অ্যাডভোকেসি কার্যক্রমে সহযোগিতা করবে; কারখানা পর্যায়ে শ্রমিক, ব্যবস্থাপক ও ট্রেড ইউনিয়ন প্রতিনিধিদের সচেতনতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি কার্যক্রম পরিচালনা করবে; স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করবে; কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য একটি যৌথ বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করবে।  

এ সমঝোতা স্মারক এক বছরের জন্য কার্যকর থাকবে এবং ২০২৭ সালে তা পুনর্বিবেচনা বা নবায়ন করা যেতে পারে। সমঝোতা স্মারকটি বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং কোনো ধরনের বিভ্রান্তি দেখা দিলে বাংলা সংস্করণকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।

এমএএস/এমএএইচ/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।