অব্যাহত থাকল পুঁজিবাজারের নীতি সহায়তা


প্রকাশিত: ১০:৫৭ এএম, ২৯ জানুয়ারি ২০১৫

পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা অর্থ বছরের দ্বিতীয়ার্ধে অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক। পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলোর সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে আইনের অনুশাসন পরিপালনে নজরদারি রাখার পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংক সব ধরনের নীতি সহায়তা দিযে যাবে। যাতে করে বাজার স্থিতিশীল থাকে।

এমন ঘোষণা দিয়ে ২০১৪-১৫ অর্থ বছরের দ্বিতীয়ার্ধের জন্য নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান আনুষ্ঠানিক ভাবে এ মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন। এসময় বাংলাদেশ ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্লেষণ করা দেখা গেছে, বিগত কোন বছর বাংলাদেশ ব্যাংক এতো বিস্তারিত ভাবে পুঁজিবাজার নিয়ে মুদ্রানীতিতে কোন দিক নির্দেশনা দেয়নি। এবারই প্রথম বিস্তারিত ভাবে পুঁজিবারের প্রসঙ্গটি নিয়ে আসা হয়েছে।

মুদ্রানীতিতে বলা হয়, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতার পাশাপাশি পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়ক ভূমিকা অর্থ বছরের দ্বিতীয়ার্ধে অব্যাহত থাকবে। বিশেষ পুনঃঅর্থায়ন কার্যক্রম বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বাজার স্থিতিশীল রাখতে নিয়মিত ভাবে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সম্বনয় সভারও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে মুদ্রানীতিতে।

এতে আরো বলা হয়, মুদ্রানীতি কর্মসূচির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ মাত্রায় তারল্য যোগান রাখা হবে। যাতে বাজার স্থিতিশীল থাকে। বাংলাদেশ ব্যাংক সব সময় পুঁজিবাজারের পাশে ছিলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের মদদে পুঁজিবাজার স্থিতিশীল রয়েছে। আগামী দিনগুলোতেও সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, তবে আইন অনুশাসন পরিপালনে কোন ছাড় নয়।

দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারিদের নানা ধরনের বৈদেশিক লেনদেন প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক চলতি অর্থ বছরের প্রথম অংশে বড় ধরনের বিনিয়োগ বান্ধব উদারিকরণ আনা হয়েছে।

মুদ্রানীতি ঘোষণা করে আতিউর রহমান বলেন, আমরা সব সময় পুঁজিবাজারের পাশে ছিলাম, থাকব। এজন্য ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগে প্রভিশনিং নীতি শীথিল করা হয়েছে। ৯শ কোটি টাকার তহবিল থেকে অর্থ ছাড় অব্যাহত রয়েছে এবং থাকবে।

ঘোষিত এই মুদ্রানীতি বিনিয়োগকারিদের আস্থা তৈরি করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এসএ/আরএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।