ডিএসইর পিই রেশিও কমেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:৫২ পিএম, ২০ এপ্রিল ২০১৯

গত সপ্তাহে দেশের শেয়ার বাজারে লেনদেন হওয়া চার কার্যদিবসের মধ্যে দুই কার্যদিবসেই মূল্যসূচকের পতন হয়। এতে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) আগের সপ্তাহের তুলনায় কমেছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সপ্তাহে চার কার্যদিবসে লেনদেন হয়। এর মধ্যে দুই কার্যদিবসে দরপতন হলেও বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেয়া অর্ধেকের বেশি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ে।

তারপরও কমে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্সসহ বাকি দুটি সূচক। সবকটি সূচকের পতনের প্রভাবে কমেছে ডিএসইর পিই রেশিও। এর মাধ্যমে টানা চার সপ্তাহ ডিএসইর পিই রেশিও বা মূল্য আয় অনুপাত কমলো।

গত সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর পিই ছিল ১৪ দশমিক ৪৮ পয়েন্ট, যা সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ১৪ দশমিক ৩৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে। অর্থাৎ ডিএসইর পিই রেশিও আগের সপ্তাহের তুলনায় কমেছে দশমিক ১২ পয়েন্ট বা দশমিক ৮৩ শতাংশ।

খাতভিত্তিক তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, সব থেকে কম পিই রেশিও রয়েছে ব্যাংক খাতের। সপ্তাহ শেষে ব্যাংক খাতের পিই রেশিও অবস্থান করছে ৮ দশমিক ৭৩ পয়েন্টে। এর পরেই রয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত। এ খাতের পিই রেশিও অবস্থান করছে ১২ দশমিক শূন্য ৮ পয়েন্টে।

এ ছাড়া বীমা খাতের ১৩ দশমিক ১০ পয়েন্ট, টেলিযোগাযোগ খাতের ১৪ দশমিক ৭৪, সেবা ও আবাসন খাতের ১৫ দশমিক ৪০, প্রকৌশল খাতের ১৫ দশমিক ৫২, বস্ত্র খাতের ১৫ দশমিক ৬৪, চামড়া খাতের ১৫ দশমিক ৯০, সিরামিক খাতের ১৬ দশমিক শূন্য ৬, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ১৭ দশমিক ৮৫, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ১৮ দশমিক ৬৯ এবং ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের ১৯ দশমিক ১৮ পয়েন্টে পিই রেশিও অবস্থান করছে।

বাকি খাতগুলোর পিই ২০-এর ওপরে অবস্থান করছে। এর মধ্যে আর্থিক খাতের পিই ২০ দশমিক ২১ পয়েন্টে, খাদ্য খাতের ২১ দশমিক ৮৩, বিবিধ খাতের ২৫ দশমিক ৪৬, পেপার খাতের ২৯ দশমিক ২৪, সিমেন্ট খাতের ৩২ দশমিক ২২ এবং পাট খাতের পিই ৫৮৯ দশমিক ২৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

এমএএস/জেডএ/জেআইএম