বিশ্ববাজারে বাড়ছে চায়ের দাম, দেশে ক্রেতা নেই

সাঈদ শিপন
সাঈদ শিপন সাঈদ শিপন , রিপন দে রিপন দে
প্রকাশিত: ১১:১৫ এএম, ১৫ জুলাই ২০২০

অস্বাভাবিক দরপতনের পর বিশ্ববাজারে চায়ের দাম বাড়তে শুরু করেছে। এক সপ্তাহে আন্তর্জাতিক বাজারে চায়ের দাম বেড়েছে প্রায় ১০ শতাংশ। আর মাসের ব্যবধানে বেড়েছে প্রায় ৩৪ শতাংশ। বিশ্ববাজারে দাম বাড়লেও দেশের বাজারে কমেছে চায়ের ক্রেতা। বিক্রি না হওয়ায় নষ্ট হচ্ছে চায়ের পাতা।

দেশের চা ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাংলাদেশে চায়ের বড় ক্রেতা টং দোকান এবং হোটেল-রেস্তোরাঁ। মহামারি করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে মার্চের ২৬ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত সব বন্ধ ছিল। এখন দোকান খুললেও বিক্রি আগের মতো নেই। মানুষ দোকানে এসে চা কম খাচ্ছে। ফলে আশঙ্কাজনক হারে চা বিক্রি কমে গেছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে চায়ের দাম পর্যালোচনা করে দেখা যায়, চায়ের দামে মহামারি করোনাভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব আন্তর্জাতিক বাজারেও পড়েছে। করোনার প্রকোপ শুরু হওয়ার আগে গত বছরের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক বাজারে চায়ের কেজি ছিল ৩ দশমিক ৪১ ডলার।

ডিসেম্বরের শেষের দিকে চীনে করোনার প্রকোপ শুরু হলে চলতি বছরের জানুয়ারিতে দাম কমে ২ দশমিক ৫০ ডলারে নেমে আসে। করোনার প্রকোপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চায়ের দামে দরপতনও চলতে থাকে। মার্চের শুরুতে দাম আরও কমে ২ দশমিক ২৫ ডলারে নামে।

এরপর কিছুটা দাম বেড়ে মার্চের শেষ সপ্তাহে আন্তর্জাতিক বাজারে চায়ের কেজি ৩ দশমিক ২৫ ডলারে ওঠে। তবে এপ্রিলে আবার দাম কমে যায়। দফায় দফায় দাম কমে জুনে ১ দশমিক ৯০ ডলারে নেমে যায়।

বড় ধরনের এই দরপতনের পর চলতি মাস থেকে আবার চায়ের দাম বাড়তে শুরু করেছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) লেনদেন শেষে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি কেজি চায়ের দাম দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ৫৪ ডলার।

এতে সপ্তাহের ব্যবধানে আন্তর্জাতিক বাজারে চায়ের দাম বেড়েছে ৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ। আর মাসের ব্যবধানে ৩৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং বছরের ব্যবধানে ২০ দশমিক ৯৫ শতাংশ দাম বেড়েছে।

এদিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে চায়ের চাহিদা বছরে ৯ কোটি কেজি। ২০১০ সাল থেকে এ চাহিদা পূরণ করতে চা আমদানি শুরু হয়। ২০১৫ সালে সর্বোচ্চ এক কোটি ১৪ লাখ কেজি চা আমদানি হয়। ২০১৬ সালে আট কোটি ৫০ লাখ কেজি রেকর্ড উৎপাদন করে চায়ের চাহিদা পূরণ করে বাংলাদেশ।

গত বছর (২০১৯ সাল) চা শিল্প ১৬৫ বছরের ইতিহাসে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে সর্বোচ্চ চা উৎপাদনের নতুন রেকর্ড গড়ে। বছরটিতে রেকর্ড ৯ কোটি ৬০ লাখ ৬৯ হাজার কেজি চা উৎপাদন হয়। তার আগের বছর ২০১৮ সালে দেশে ৮ কোটি ২১ লাখ ৩০ হাজার কেজি চা উৎপাদন হয়। ২০২৫ সালের মধ্যে দেশে চায়ের উৎপাদন ১৪০ মিলিয়ন বা ১৪ কোটি কেজিতে উন্নীত করতে কাজ করছে চা বোর্ড।

চায়ের উৎপাদন ভালো হওয়ায় গত কয়েক বছর ধরে চা রফতানি করে কিছু আয়ও হচ্ছে। চা রফতানি করে ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৩৭ লাখ ১০ হাজার ডলার, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ২৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১৮ লাখ ৩০ হাজার ডলার, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৪৪ লাখ ৭০ হাজার ডলার, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ২৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার এবং ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ২৮ লাখ ২০ হাজার ডলার আয় হয়েছে।

বাংলাদেশ চা বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ১৮৫৪ সালে সিলেটের মালনীছড়া চা বাগানে প্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চা চাষ শুরু হয়। দেশ স্বাধীনের সময় দেশে চা বাগানের সংখ্যা ছিল ১৫০টি। তখন তিন কোটি কেজির মতো চা উৎপাদন হত।

বর্তমানে সারাদেশে বিদেশি কোম্পানি, সরকারি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন ছোট-বড় মিলিয়ে চা বাগানের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬৬টি। এর মধ্যে মৌলভীবাজারে রয়েছে ৯২টি চা বাগান। বাকিগুলোর মধ্যে হবিগঞ্জে ২৪টি, সিলেটে ১৯টি, চট্টগ্রামে ২২টি, পঞ্চগড়ে সাতটি, রাঙ্গামাটিতে দুটি ও ঠাকুরগাঁওয়ে একটি। এসব বাগানে মোট জমির পরিমাণ দুই লাখ ৭৯ হাজার ৪৩৯ একর।

এদিকে গত বছর রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদনের পরও চলতি বছর চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা কম ধরা হয়েছে। গত বছর চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮০ মিলিয়ন বা ৮ কোটি কেজি। চলতি বছর চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ কোটি ৫৯ লাখ ৪০ হাজার কেজি।

চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত) উৎপাদন হয়েছে এক কোটি ২৮ লাখ ৪৬ হাজার কেজি। গত বছর প্রথম পাঁচ মাসে উৎপাদন হয়েছিল এক কোটি ৬২ লাখ ৮১ হাজার কেজি।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের বিপণন কর্মকর্তা আহসান হাবিব জানান, গত মৌসুমে (এপ্রিল ২০১৯ থেকে মার্চ ২০২০) চট্টগ্রাম এবং শ্রীমঙ্গলের ৪৫টি নিলামে চা বিক্রি হয়েছে ৯০.৪৪ মিলিয়ন কেজি। যার গড় দাম ছিল ১৭৬.০৮ টাকা। চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত চট্টগ্রামে ছয়টি এবং শ্রীমঙ্গলে তিনটি নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিক্রি হয়েছে ৬.৬৬ মিলিয়ন কেজি। গত বছরের চেয়ে এ বছর চায়ের দামও কমেছে।

এইচআরসি সিন্ডিকেট লিমিটেডের মালিক মোহাম্মদ ইদ্রিস জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের ধারণা এ বছর চা উৎপাদন গত বছরের চেয়ে অনেক কম হবে। উৎপাদন কম হলেও এখন আমাদের বিক্রি নেই। অনেক চা নষ্ট হচ্ছে। বছরের শেষের দিকে বাজারে এর একটা প্রভাব পড়তে পারে। তখন দাম বাড়বে।

আন্তর্জাতিক বাজারে দামের প্রভাব দেশের বাজারে পড়বে কিনা জানতে চাইলে এই ব্যবসায়ী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের দামের প্রভাব আমাদের এখানে পড়ার খুব একটা সম্ভাবনা নেই। কারণ আমাদের চা স্থানীয় বাজার নির্ভর। আমদানি বা রফতানির পরিমাণ খুবই সীমিত। আর বর্তমান পরিস্থিতিতে রফতানি একেবারেই নেই।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের উপ-পরিচালক (পরিকল্পনা) মুনির আহমেদ বলেন, ২০২৫ সালের মধ্যে ১৪০ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদন করার পরিকল্পনা ছিল। সে লক্ষ্যে আমরা সফল ছিলাম। গত তিন বছরে আমদানি নির্ভর চা রফতানিমুখী হয়েছে। চা শিল্প তিন বছরে যে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছিল তা সামনে অনিশ্চিত । কারণ আমরা কেউই জানি না করোনা কতদিন থাকবে।

নাহার চা বাগানের জেনারেল ম্যানেজার পিযুষ কান্তি বলেন, ওয়্যারহাউসগুলোতে (চা রাখার স্থান) চা জমছে, কিন্তু বিক্রি হচ্ছে না। আমাদের ওয়্যারহাউসে জমা আছে প্রায় ৩০ হাজার কেজি চা। আমরা চ্যালেঞ্জিং সময় পার করছি। চা বিক্রি হচ্ছে না, আবার শ্রমিকদের বেতন বাকি রাখা যাচ্ছে না। তার ওপর চায়ের দাম স্মরণ কালের মধ্যে সবচেয়ে কম। বর্তমানে ১৫৫ টাকা গড় দামে চা বিক্রি হচ্ছে।

বাংলাদেশ চা সংসদ সিলেট ভ্যালির সভাপতি জি এম শিবলি জানান, করোনার কারণে চা বিক্রি তিনগুণের বেশি কমেছে। ভালো কোয়ালিটির চা বিক্রি হলেও সাধারণ মানের চা যা সাধারণ চায়ের দোকান বা রেস্তোরাঁয় বিক্রি হয় তা কমেছে। নিলামে যে চা উঠছে তার প্রায় অর্ধেক অবিক্রীত থেকে যাচ্ছে। ফলে ওয়্যারহাউসগুলোতে চা জমছে। এভাবে আরও কয়েক মাস গেলে চা রাখার জায়গার যেমন অভাব হবে তেমনি নষ্ট হবে চায়ের কোয়ালিটি। এই শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বেতন-ভাতা দিয়ে উৎপাদন অব্যাহত রাখা বড় চ্যালেঞ্জ হবে। এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় চায়ের উৎপাদন গত বছরের তুলনায় কম হচ্ছে।

হামিদিয়া চা বাগানের ম্যানেজার মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, চা বিক্রি হচ্ছে না, দামও কমেছে। ওয়্যারহাউসে চা জমে আছে। এতে নষ্ট হতে পারে চা এবং চায়ের মান। গত বছর আমরা এক লাখ ৮৫ হাজার কেজি চা উৎপাদন করেছি। যার দাম ছিল কেজিপ্রতি গড়ে ১৭৬ টাকা। এ বছর গত বছরের চেয়ে চা উৎপাদন কিছুটা কমেছে, সঙ্গে দামও কমেছে। এ বছর গড়ে ১৫৫ টাকা করে চা বিক্রি হচ্ছে। তার চেয়ে বড় বিষয় ৬০ শতাংশ চা অবিক্রীত থাকছে। আমার বাগানের ওয়্যারহাউসে প্রায় ২৫ হাজার কেজি চা জমে আছে, বিক্রি হচ্ছে না। চরম সংকটে আমরা। বাগান বন্ধ হওয়ার উপক্রম। শ্রমিকদের বেতন দিতে হিমশিম খাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীর প্রণোদনাও পাইনি। ব্যাংকও আমাদের লোন দিচ্ছে না।

টি প্লান্টার্স অ্যান্ড ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টিপিটিএবি) সদস্য সচিব জহর তরফদার বলেন, এ বছর আমাদের শ্রীমঙ্গলের নিলাম কেদ্রে ২০টি নিলাম অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা ছিল। এখন পর্যন্ত তিনটি নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। সর্বশেষ নিলামে ১৮ হাজার ৭০০ কেজি চা বিক্রি হয়েছে। ক্রেতাদের অংশগ্রহণ কমেছে, সঙ্গে চায়ের দামও কমেছে।

এমএএস/এমএফ/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

২,০০,৪০,৮০৫
আক্রান্ত

৭,৩৪,২৪৭
মৃত

১,২৯,১১,১৯৯
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ২,৬০,৫০৭ ৩,৪৩৮ ১,৫০,৪৩৭
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৫১,৯৯,৪৪৪ ১,৬৫,৬১৭ ২৬,৬৪,৭০১
ব্রাজিল ৩০,৩৫,৫৮২ ১,০১,১৩৬ ২১,১৮,৪৬০
ভারত ২২,১৭,৬৪৫ ৪৪,৪৯৯ ১৫,৩৬,২৫৯
রাশিয়া ৮,৯২,৬৫৪ ১৫,০০১ ৬,৯৬,৬৮১
দক্ষিণ আফ্রিকা ৫,৫৯,৮৫৯ ১০,৪০৮ ৪,১১,৪৭৪
মেক্সিকো ৪,৮০,২৭৮ ৫২,২৯৮ ৩,২২,৪৬৫
পেরু ৪,৭৮,০২৪ ২১,০৭২ ৩,২৪,০২০
কলম্বিয়া ৩,৮৭,৪৮১ ১২,৮৪২ ২,১২,৬৮৮
১০ চিলি ৩,৭৩,০৫৬ ১০,০৭৭ ৩,৪৫,৮২৬
১১ স্পেন ৩,৬১,৪৪২ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
১২ ইরান ৩,২৬,৭১২ ১৮,৪২৭ ২,৮৪,৩৭১
১৩ যুক্তরাজ্য ৩,১৩,৪৮৩ ৪৬,৫৭৪ ৩৪৪
১৪ সৌদি আরব ২,৮৮,৬৯০ ৩,১৬৭ ২,৫২,০৩৯
১৫ পাকিস্তান ২,৮৪,৬৬০ ৬,০৯৭ ২,৬০,৭৬৪
১৬ ইতালি ২,৫০,৫৬৬ ৩৫,২০৫ ২,০২,০৯৮
১৭ আর্জেন্টিনা ২,৪৬,৪৯৯ ৪,৬০৬ ১,০৮,২৪২
১৮ তুরস্ক ২,৪০,৮০৪ ৫,৮৪৪ ২,২৩,৭৫৯
১৯ জার্মানি ২,১৭,২৮১ ৯,২৬১ ১,৯৭,৯০০
২০ ফ্রান্স ১,৯৭,৯২১ ৩১,০১৭ ৮২,৮৩৬
২১ ইরাক ১,৫০,১১৫ ৫,৩৯২ ১,০৭,৭৭৫
২২ ফিলিপাইন ১,২৯,৯১৩ ২,২৭০ ৬৭,৬৭৩
২৩ ইন্দোনেশিয়া ১,২৭,০৮৩ ৫,৭৬৫ ৮২,২৩৬
২৪ কানাডা ১,১৯,৪৫১ ৮,৯৮১ ১,০৩,৭২৮
২৫ কাতার ১,১২,৯৪৭ ১৮৪ ১,০৯,৭০৯
২৬ কাজাখস্তান ৯৯,৪৪২ ১,০৫৮ ৭২,৫২৩
২৭ মিসর ৯৫,৪৯২ ৫,০০৯ ৫২,৬৭৮
২৮ ইকুয়েডর ৯৪,৪৫৯ ৫,৯২২ ৭৮,৫৫২
২৯ বলিভিয়া ৮৯,৯৯৯ ৩,৬৪০ ২৯,৮০৮
৩০ চীন ৮৪,৬৬৮ ৪,৬৩৪ ৭৯,২৩২
৩১ ইসরায়েল ৮৩,৫৪০ ৬০৬ ৫৮,৯৩৪
৩২ সুইডেন ৮২,৩২৩ ৫,৭৬৬ ৪,৯৭১
৩৩ ওমান ৮১,৭৮৭ ৫২১ ৭৬,১২৪
৩৪ ইউক্রেন ৮০,৯৪৯ ১,৮৯৭ ৪৩,৯৭২
৩৫ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৭৯,৭৩২ ১,৩০৯ ৪৩,৭৪৪
৩৬ পানামা ৭৪,৪৯২ ১,৬৩৯ ৪৮,৭৪৮
৩৭ বেলজিয়াম ৭৪,১৫২ ৯,৮৭২ ১৭,৭৮০
৩৮ কুয়েত ৭১,৭১৩ ৪৭৮ ৬৩,৫১৯
৩৯ বেলারুশ ৬৮,৮৫০ ৫৮৭ ৬৪,৯৩৫
৪০ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৬২,৫২৫ ৩৫৭ ৫৬,৫৬৮
৪১ রোমানিয়া ৬১,৭৬৮ ২,৭০০ ৩০,১১৯
৪২ নেদারল্যান্ডস ৫৮,৫৬৪ ৬,১৫৭ ২৫০
৪৩ গুয়াতেমালা ৫৬,৬০৫ ২,২১১ ৪৪,৫৯৮
৪৪ সিঙ্গাপুর ৫৫,২৯২ ২৭ ৪৮,৯১৫
৪৫ পর্তুগাল ৫২,৬৬৮ ১,৭৫৬ ৩৮,৫১১
৪৬ পোল্যান্ড ৫২,৪১০ ১,৮০৯ ৩৬,৮৭৭
৪৭ হন্ডুরাস ৪৭,৪৫৪ ১,৪৯৫ ৬,৫৯৭
৪৮ জাপান ৪৬,৭৮৩ ১,০৪০ ৩২,৩১২
৪৯ নাইজেরিয়া ৪৬,৫৭৭ ৯৪৫ ৩৩,১৮৬
৫০ বাহরাইন ৪৪,০১১ ১৬২ ৪০,৯৬৭
৫১ ঘানা ৪১,০০৩ ২১৫ ৩৮,৩৩০
৫২ আর্মেনিয়া ৪০,৪৩৩ ৭৯৬ ৩২,৬১৬
৫৩ কিরগিজস্তান ৪০,০৮৫ ১,৪৭৪ ৩২,১২৬
৫৪ আফগানিস্তান ৩৭,০৫৪ ১,৩১২ ২৫,৯৬০
৫৫ সুইজারল্যান্ড ৩৬,৬০৩ ১,৯৮৬ ৩২,৩০০
৫৬ আলজেরিয়া ৩৫,২১৪ ১,৩০২ ২৪,৫০৬
৫৭ আজারবাইজান ৩৩,৫৬৮ ৪৯০ ৩০,৩৬৪
৫৮ মরক্কো ৩৩,২৩৭ ৪৯৮ ২৩,৩৪৭
৫৯ উজবেকিস্তান ৩০,৮২০ ১৯৬ ২২,০৪২
৬০ সার্বিয়া ২৮,০৯৯ ৬৪১ ১৪,০৪৭
৬১ মলদোভা ২৭,৬৬০ ৮৪৫ ১৯,৩০০
৬২ আয়ারল্যান্ড ২৬,৭১২ ১,৭৭২ ২৩,৩৬৪
৬৩ কেনিয়া ২৬,৪৩৬ ৪২০ ১২,৯৬১
৬৪ ভেনেজুয়েলা ২৫,৮০৫ ২২৩ ১৩,৩৫৬
৬৫ কোস্টারিকা ২৩,২৮৬ ২৩৫ ৭,৭৩০
৬৬ নেপাল ২২,৯৭২ ৭৫ ১৬,৩৫৩
৬৭ ইথিওপিয়া ২২,৮১৮ ৪০৭ ১০,২০৬
৬৮ অস্ট্রিয়া ২২,১০৬ ৭২৩ ২০,০১০
৬৯ অস্ট্রেলিয়া ২১,৪০৭ ৩১৪ ১১,৮৭৬
৭০ এল সালভাদর ২০,৮৭২ ৫৬৩ ৯,৭২০
৭১ চেক প্রজাতন্ত্র ১৮,৩৫৫ ৩৯০ ১২,৭৮৫
৭২ ক্যামেরুন ১৮,০৪২ ৩৯৫ ১৫,৩২০
৭৩ আইভরি কোস্ট ১৬,৭১৫ ১০৫ ১২,৯২৬
৭৪ দক্ষিণ কোরিয়া ১৪,৬২৬ ৩০৫ ১৩,৬৫৮
৭৫ ডেনমার্ক ১৪,৪৪২ ৬১৭ ১২,৮৪০
৭৬ ফিলিস্তিন ১৪,২০৮ ৯৭ ৭,৯৪৫
৭৭ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ১৩,৬৮৭ ৩৯৪ ৭,৩৭৩
৭৮ বুলগেরিয়া ১৩,৩৯৬ ৪৪৭ ৭,৭৭২
৭৯ মাদাগাস্কার ১৩,০৮৬ ১৪৮ ১০,৮১৬
৮০ সুদান ১১,৯৫৬ ৭৮১ ৬,২৬৬
৮১ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১১,৮৩৯ ৫২৭ ৭,৬৬৪
৮২ সেনেগাল ১১,১৭৫ ২৩২ ৭,৩৫২
৮৩ নরওয়ে ৯,৬৩৮ ২৫৬ ৮,৮৫৭
৮৪ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৯,৪৫৪ ২২৪ ৮,৩২৪
৮৫ মালয়েশিয়া ৯,০৯৪ ১২৫ ৮,৮০৩
৮৬ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৮,২৬৭ ৪৮ ৭,৫০১
৮৭ জাম্বিয়া ৮,০৮৫ ২৩৫ ৬,৬৯৮
৮৮ গিনি ৭,৯৩০ ৫০ ৬,৮৯৮
৮৯ গ্যাবন ৭,৯২৩ ৫১ ৫,৭০৪
৯০ তাজিকিস্তান ৭,৭৪৫ ৬২ ৭,২৩৫
৯১ হাইতি ৭,৬৩৪ ১৮৩ ৪,৯৮২
৯২ ফিনল্যাণ্ড ৭,৬০১ ৩৩১ ৬,৯৮০
৯৩ লুক্সেমবার্গ ৭,২০৫ ১২০ ৫,৮৪৮
৯৪ প্যারাগুয়ে ৬,৯০৭ ৭৫ ৫,২২২
৯৫ মৌরিতানিয়া ৬,৫২৩ ১৫৭ ৫,৫২৭
৯৬ লেবানন ৬,৫১৭ ৭৮ ২,১২৭
৯৭ আলবেনিয়া ৬,৪১১ ১৯৯ ৩,৩৪২
৯৮ গ্রীস ৫,৬২৩ ২১২ ৩,৮০৪
৯৯ ক্রোয়েশিয়া ৫,৬০৪ ১৫৭ ৪,৮৬১
১০০ লিবিয়া ৫,৪৫১ ১১৯ ৭০১
১০১ জিবুতি ৫,৩৪৪ ৫৯ ৫,১০৬
১০২ মালদ্বীপ ৫,০৪১ ১৯ ২,৮০৪
১০৩ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৪,৮২১ ৮৩ ২,১৮২
১০৪ হাঙ্গেরি ৪,৭৩১ ৬০৫ ৩,৫২৫
১০৫ মালাউই ৪,৬৫৮ ১৪৬ ২,৩৭৫
১০৬ জিম্বাবুয়ে ৪,৬৪৯ ১০৪ ১,৪৩৭
১০৭ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৬৪১ ৬০ ১,৭২১
১০৮ হংকং ৪,১৪৯ ৫৫ ২,৯১৬
১০৯ নিকারাগুয়া ৩,৯০২ ১২৩ ২,৯১৩
১১০ কঙ্গো ৩,৬৬৪ ৫৮ ১,৫৮৯
১১১ মন্টিনিগ্রো ৩,৬১৮ ৬৪ ২,৪৫২
১১২ থাইল্যান্ড ৩,৩৫১ ৫৮ ৩,১৬০
১১৩ ইসওয়াতিনি ৩,২৩৬ ৫৮ ১,৬০৭
১১৪ সোমালিয়া ৩,২২৭ ৯৩ ১,৭২৮
১১৫ মায়োত্তে ৩,০৬৮ ৩৯ ২,৮৩৫
১১৬ কিউবা ২,৯৫৩ ৮৮ ২,৪৫১
১১৭ নামিবিয়া ২,৯৪৯ ১৯ ৭০৪
১১৮ কেপ ভার্দে ২,৮৫৮ ৩২ ২,০৮৬
১১৯ শ্রীলংকা ২,৮৪৪ ১১ ২,৫৯৩
১২০ স্লোভাকিয়া ২,৫৯৯ ৩১ ১,৮৬৬
১২১ মালি ২,৫৬৭ ১২৫ ১,৯৬২
১২২ দক্ষিণ সুদান ২,৪৭০ ৪৭ ১,১৭৫
১২৩ সুরিনাম ২,৩৯১ ২৯ ১,৬৩৫
১২৪ মোজাম্বিক ২,২৬৯ ১৬ ৮৪০
১২৫ লিথুনিয়া ২,২৬৫ ৮১ ১,৬৭০
১২৬ স্লোভেনিয়া ২,২৪৯ ১২৭ ১,৯২৭
১২৭ এস্তোনিয়া ২,১৫৮ ৬৯ ১,৯৬২
১২৮ রুয়ান্ডা ২,১৪০ ১,৩৪৬
১২৯ গিনি বিসাউ ২,০৫২ ২৯ ৯৪৪
১৩০ আইসল্যান্ড ১,৯৫৮ ১০ ১,৯০৭
১৩১ বেনিন ১,৯৩৬ ৩৮ ১,৬০০
১৩২ সিয়েরা লিওন ১,৯১৬ ৬৮ ১,৪৪৫
১৩৩ ইয়েমেন ১,৮০৪ ৫১৫ ৯১৩
১৩৪ তিউনিশিয়া ১,৬৯৭ ৫১ ১,২৬৩
১৩৫ অ্যাঙ্গোলা ১,৬৭২ ৭৫ ৫৬৭
১৩৬ নিউজিল্যান্ড ১,৫৬৯ ২২ ১,৫২৬
১৩৭ উরুগুয়ে ১,৩৫৩ ৩৭ ১,১২৫
১৩৮ লাটভিয়া ১,২৯০ ৩২ ১,০৭০
১৩৯ উগান্ডা ১,২৮৩ ১,১১৫
১৪০ জর্ডান ১,২৫২ ১১ ১,১৮৭
১৪১ জর্জিয়া ১,২৫০ ১৭ ১,০১০
১৪২ সাইপ্রাস ১,২৪২ ১৯ ৮৭০
১৪৩ লাইবেরিয়া ১,২৩৭ ৭৯ ৭২৩
১৪৪ গাম্বিয়া ১,২৩৫ ২৩ ২২১
১৪৫ বুর্কিনা ফাঁসো ১,২০৪ ৫৪ ৯৮৪
১৪৬ সিরিয়া ১,১৮৮ ৫২ ৩৪৬
১৪৭ নাইজার ১,১৫৮ ৬৯ ১,০৫৭
১৪৮ মালটা ১,০৮৯ ৬৮৪
১৪৯ টোগো ১,০৬০ ২৩ ৭২৯
১৫০ জ্যামাইকা ১,০২৩ ১৪ ৭৪৫
১৫১ এনডোরা ৯৫৫ ৫২ ৮৩৯
১৫২ চাদ ৯৪৪ ৭৬ ৮৩৯
১৫৩ বাহামা ৮৯৮ ১৫ ১০৪
১৫৪ ভিয়েতনাম ৮৪১ ১৩ ৩৯৯
১৫৫ বতসোয়ানা ৮০৪ ৬৩
১৫৬ লেসোথো ৭৪২ ২৩ ১৭৫
১৫৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৫৮ সান ম্যারিনো ৬৯৯ ৪৫ ৬৫৭
১৫৯ রিইউনিয়ন ৬৮৭ ৬৩১
১৬০ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৯৭ ৪৮ ৫৫৫
১৬১ গায়ানা ৫৬৮ ২৩ ১৮৯
১৬২ আরুবা ৫৬৩ ১১৪
১৬৩ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৬৪ তাইওয়ান ৪৮০ ৪৪৩
১৬৫ বুরুন্ডি ৪০৮ ৩১৫
১৬৬ কমোরস ৩৯৯ ৩৬৯
১৬৭ মায়ানমার ৩৬০ ৩১২
১৬৮ মরিশাস ৩৪৪ ১০ ৩৩৪
১৬৯ মার্টিনিক ৩৩৬ ১৬ ৯৮
১৭০ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩১২
১৭১ ফারে আইল্যান্ড ৩০৩ ২১৫
১৭২ মঙ্গোলিয়া ২৯৩ ২৬৩
১৭৩ গুয়াদেলৌপ ২৯০ ১৪ ১৮৬
১৭৪ ইরিত্রিয়া ২৮৫ ২৪৫
১৭৫ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ২৭৯ ১৩৫
১৭৬ কম্বোডিয়া ২৫১ ২১৯
১৭৭ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ২১৬ ৩৯
১৭৮ পাপুয়া নিউ গিনি ২১৪ ৫৩
১৭৯ কেম্যান আইল্যান্ড ২০৩ ২০২
১৮০ জিব্রাল্টার ২০১ ১৮৬
১৮১ সিন্ট মার্টেন ১৮৯ ১৭ ৮৬
১৮২ বারমুডা ১৫৮ ১৪৪
১৮৩ বেলিজ ১৫৩ ৩২
১৮৪ ব্রুনাই ১৪২ ১৩৮
১৮৫ বার্বাডোস ১৪২ ১১২
১৮৬ মোনাকো ১৩৩ ১১৩
১৮৭ সিসিলি ১২৬ ১২৫
১৮৮ ভুটান ১১০ ৯৬
১৮৯ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৯২ ৭৬
১৯০ লিচেনস্টেইন ৮৯ ৮৫
১৯১ সেন্ট মার্টিন ৭৮ ৪৪
১৯২ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬৯ ৬২
১৯৩ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৫৭ ৫২
১৯৪ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৯৫ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
১৯৬ কিউরাসাও ৩১ ৩০
১৯৭ ফিজি ২৭ ১৮
১৯৮ সেন্ট লুসিয়া ২৫ ২৪
১৯৯ পূর্ব তিমুর ২৫ ২৪
২০০ গ্রেনাডা ২৪ ২৩
২০১ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২৩ ২২
২০২ লাওস ২০ ১৯
২০৩ ডোমিনিকা ১৮ ১৮
২০৪ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৭ ১৬
২০৫ গ্রীনল্যাণ্ড ১৪ ১৪
২০৬ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২০৭ সেন্ট বারথেলিমি ১৩
২০৮ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১৩
২০৯ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২১০ ভ্যাটিকান সিটি ১২ ১২
২১১ পশ্চিম সাহারা ১০
২১২ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৩ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
২১৪ এ্যাঙ্গুইলা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]