স্কুলে নতুন শিক্ষাবর্ষে পুরোদমে ক্লাস শুরু রোববার
নতুন শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিনে হাতে নতুন পাঠ্যবই পেয়েছে দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীরাও কিছু বই পেয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) এসব বই বিতরণ করা হয়। ফলে ওইদিন ক্লাস হয়নি। বই নিয়ে বাসায় ফেরে শিক্ষার্থীরা। বই পাওয়ার পর রোববারই (৪ জানুয়ারি) নতুন শিক্ষাবর্ষে প্রথম ক্লাস হবে।
ঢাকার বেশ কিছু সরকারি প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং প্রথম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান করা হয়- এমন বিদ্যালয়ে খোঁজ নিয়ে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সূত্র জানায়, ১ জানুয়ারি থেকে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হয়েছে। বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর হাতে বই পৌঁছে গেছে। বাকিরাও এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যেই বই পেয়ে যাবে। তবে ক্লাস পুরোদমে চলবে। যেসব বিষয়ের পাঠ্যবই এখনো স্কুলে সরবরাহ করা হয়নি, তা অনলাইনে পিডিএফ আকারে পাওয়া যাচ্ছে। ফলে ক্লাস চলতে বাধা নেই।
আরও পড়ুন
পাঠ্যবই থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ বাদ
দ্বিগুণ হচ্ছে বৃত্তির টাকা, বাড়ছে সোয়া ৯ হাজার শিক্ষার্থী
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র বলছে, দেশের সাড়ে ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। শতভাগ বই পেয়েছে শিক্ষার্থীরা। ১ জানুয়ারি বই বিতরণও শেষ, এখন পুরোদমে ক্লাস চলবে। সামনে নির্বাচন, রোজা ও ঈদের ছুটি পড়বে। সেজন্য প্রথম প্রান্তিকের পড়া বা সিলেবাসের বেশি অংশ জানুয়ারি মাসে শেষ করাটা শ্রেয় হবে।
রাজধানীর স্কুলগুলোতেও রোববার থেকে পুরোদমে ক্লাস শুরু করার নোটিশ দেওয়া হয়েছে। উত্তর বাড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল গফুর হক জাগো নিউজকে বলেন, আমরা ১ তারিখে বই দিয়ে দিয়েছি। কাল (রোববার) থেকে ক্লাস নেওয়া হবে। সব ক্লাসই হবে। রুটিনও করে দেওয়া হয়েছে।
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মাজেদা বেগম বলেন, আমাদের প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের হাতে বই দেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিকেও অধিকাংশ শিক্ষার্থী বই পেয়েছে। রোববার থেকে পুরোদমে ক্লাস শুরু করতে কোনো বাধা নেই। এখন থেকে নিয়মিত ক্লাস নেওয়া হবে।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্র জানায়, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক, ইবতেদায়ি শিক্ষার্থীরা সবাই পাঠ্যবই পেয়েছে। মাধ্যমিকের ৮৫ শতাংশ বই পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ষষ্ঠ ও নবমের শিক্ষার্থীরাও বেশিরভাগই বই পেয়ে গেছে। সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কিছু বই বাকি রয়েছে। ১০ জানুয়ারির মধ্যে বাকি বইগুলো পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
এএএইচ/কেএসআর