চট্টগ্রামে তিন সাংবাদিকের উপর হামলা


প্রকাশিত: ১০:৪৮ এএম, ২৭ মার্চ ২০১৬

চট্টগ্রামে পাহাড় খেকোদের হামলার শিকার হয়েছেন বৈশাখী টিভির তিন সাংবাদিক। শনিবার দিবাগত রাতে দক্ষিণ খুলশি এলাকায় পাহাড় কাটার দৃশ্য ধারণ করতে গেলে হামলার শিকার হন তারা।
 
আক্রান্তরা হলেন বৈশাখী টিভির অ্যাসাইনম্যান্ট এডিটর মিঠুন মোস্তাফিজ, চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান মহসিন চৌধুরী ও ক্যামেরাপারসন আহাদ। এসময় তাদের ক্যামরাও ভাংচুর করে দুর্বৃত্তরা।

ঘটনাটি পুলিশকে জানালেও ঘটনাস্থলে যায়নি বলে অভিযোগ আক্রান্ত সাংবাদিকদের। ফলে আটক করা যায়নি পাহাড় কাটার কাজে ব্যবহৃত স্কেভেটর ও ট্রাক। এ ঘটনায় খুলশী থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করা হয়েছে।

খুলশী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. নিজাম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

সাংবাদিক মিঠুন মোস্তাফিজ বলেন, শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে দক্ষিণ খুলশীতে ইস্পাহানি পাহাড় কাটার দৃশ্য ধারণ করতে যাই। দৃশ্য ধারণ শুরু হলে শ্রমিকরা পালিয়ে যায়। কিন্তু বিষয়টি তদারকির দায়িত্বে থাকা এক ব্যক্তি মোবাইলে অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে। পরে তিনি একাই আমাদের উপর হামলা চালান। এসময় ইটের আঘাতে এইচডি ক্যামেরাটির সামনের অংশ ভেঙে যায়।

তিনি বলেন, ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা বিষয়টি খুলশী থানাকে অবহিত করি। কিন্তু আসছে আসছে বলে তারা ঘটনাস্থলে আসেননি। পরে আমরা থানায় গিয়ে অভিযোগ করি এবং বলি ঘটনাস্থলে গেলে এখনই পাহাড় কাটার জন্য ব্যবহৃত স্কেভেটর ও ট্রাক আটক করা যাবে।

এসময় দায়িত্বরত কর্মকর্তা ওসির সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা চালিয়ে সময় ক্ষেপণ করেন। পরে আমরা ফের ঘটনাস্থলে যাই। কিন্তু ততক্ষণে ট্রাকগুলো চলে যায়।

আবার থানায় গিয়ে বিষয়টি জানালে থানার অফিার ইনচার্জ নিজাম উদ্দিন মামলার দায়ের করার পরামর্শ দিয়ে বলেন,‘এলাকা খুব খারাপ। আপনারা এসেছেন আগে থেকে আমাদের কিছু জানাননি। যে কোন ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো।’

মিঠুন বলেন, আবাসিক এলাকার গেট বন্ধ থাকার পরও কিভাবে ট্রাকগুলো প্রবেশ করে তা নিরাপত্তা প্রহরীদের কাছে জানতে চাই। তারা বলেন, আমাদের কিছুই করার নেই। তবে হামলাকারী ব্যক্তি গুটি জামাল হিসেবে এলাকায় পরিচিত বলে জানান তারা।

জীবন মুছা/এসকেডি/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।