একজন পাকিস্তানি, কিন্তু এই দেশকে প্রাণ দিয়ে ভালোবাসতেন : সোহেল রানা

বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:৩৫ পিএম, ২১ জানুয়ারি ২০২৬
জাভেদ ও সোহেল রানা

কিংবদন্তি চিত্রনায়ক ও নৃত্যশিল্পী জাভেদের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে দেশের বিনোদন অঙ্গনে। জনপ্রিয় অভিনেতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন শোবিজ তারকারা। দীর্ঘদিনের বন্ধু জাভেদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বরেণ্য অভিনেতা ও প্রযোজক সোহেল রানা।

প্রিয় বন্ধুর মৃত্যুর শোকবার্তায় বলেন, ‘জাভেদ আমার খুব কাছের বন্ধু ছিলেন। তিনি আমার বহু ছবির নৃত্যপরিচালক ছিলেন। আমার একটি ছবিতে অভিনয়ও করেছিলেন।’

সোহেল রানা আরও লেখেন, ‘তিনি ছিলেন একজন পাকিস্তানি, কিন্তু এই দেশকে প্রাণ দিয়ে ভালোবাসতেন। স্বাধীনতার পর তিনি বাংলাদেশেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত এই দেশের মানুষ ও শিল্পকে ভালোবেসে গেছেন। শান্তিতে ঘুমাও বন্ধু, তোমাকে আমি কখনো ভুলব না।’

আরও পড়ুন
নায়ক জাভেদকে হারিয়ে যা লিখলেন শাকিব খান
এক গ্লাসে দুধপান করে নায়ক আলমগীরের ভাই হয়েছিলেন জাভেদ
নায়কদেরও নাচ শেখাতেন জাভেদ, নায়করাজ ডাকতেন ‘গুরু’

দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন জাভেদ। আজ (২১ জানুয়ারি) বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার উত্তরার একটি হাসপাতালে মারা যান তিনি। অভিনেতার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। আজকে বাদ আসর দীর্ঘদিনের কর্মস্থল বিএফডিসিতে অনুষ্ঠিত হবে নামাজে জানাজা। তারপর উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টর বড় মসজিদের পাশের মসজিদ তাকে দাফন করা হবে।

১৯৬৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত উর্দু ছবি ‘নয়ি জিন্দেগি’ দিয়ে নায়ক হিসেবে অভিষেক ইলিয়াস জাভেদের। এরপর প্রায় ২০০ শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। নব্বই দশক পর্যন্ত তিনি সিনেমায় সুবর্ণ সময় কাটিয়েছেন।
এছাড়া তিনি ছিলেন একজন নৃত্য পরিচালকও।

তার আসল নাম রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস। নৃত্য পরিচালনা দিয়ে চলচ্চিত্র জগতে অভিষেক ঘটলেও পরবর্তিতে নায়ক হিসেবে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন শতাধিক চলচ্চিত্রে। তিনি তার অনেক কাজের মধ্যে ‘নিশান’ চলচ্চিত্রের জন্য বেশি পরিচিত।

জাভেদ ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে (পাকিস্তান) জন্মগ্রহণ করেন। পরে তিনি স্বপরিবারে সেখান থেকে পাঞ্জাবে চলে আসেন।

ব‍্যক্তি জীবনে তিনি ১৯৮৪ সালে চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীকে বিয়ে করেন।

 

এমআই/এলআইএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।