খাবারের কষ্টের কথা বলেছিলেন বিজয়, পাল্টা দাবি সহপাঠীর

বিনোদন ডেস্ক
বিনোদন ডেস্ক বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:২৩ এএম, ১২ মে ২০২৬
থালাপতি বিজয় । ছবি: সংগৃহীত

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর নিজের শৈশবের অভাব-অনটনের কথা তুলে ধরেছিলেন থালাপতি বিজয়। তবে সেই বক্তব্য ঘিরেই এবার শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। বিজয়ের স্কুলজীবনের সহপাঠী ও লেখক মনু জোসেফ তার দাবির বিরোধিতা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হয়েছেন।

শপথগ্রহণের পর দেওয়া প্রথম ভাষণে বিজয় বলেন, ছোটবেলায় তিনি দারিদ্র্য ও অভাবের মধ্যে বড় হয়েছেন। খিদের কষ্ট কী, তা খুব ভালোভাবেই জানেন তিনি। সাধারণ পরিবারের সন্তান হিসেবেই তার বেড়ে ওঠা বলেও উল্লেখ করেন এই অভিনেতা-রাজনীতিক।

তবে বিজয়ের এমন বক্তব্যকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেছেন লেখক মনু জোসেফ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, লয়োলা স্কুলে তৃতীয় শ্রেণিতে তারা একসঙ্গে পড়াশোনা করেছেন। সে সময় বিজয়ের বাবা এস এ চন্দ্রশেখর দক্ষিণী চলচ্চিত্র অঙ্গনের পরিচিত পরিচালক ছিলেন।

মনু জোসেফের দাবি, চলচ্চিত্র পরিবারের জীবনে আর্থিক ওঠানামা থাকতে পারে, কিন্তু সেটিকে প্রকৃত দারিদ্র্যের সঙ্গে তুলনা করা ঠিক নয়। তার ভাষায়, হাতে অর্থ কম থাকা আর সত্যিকারের অভাবের মধ্যে বড় পার্থক্য রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিজয়ের বাবা শুরু থেকেই তাকে চলচ্চিত্রে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য কাজ করেছেন এবং সেই সুযোগ-সুবিধাও তিনি পেয়েছেন। তাই বর্তমান রাজনৈতিক বক্তব্যে দারিদ্র্যের প্রসঙ্গ টানা বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না বলেই মনে করেন তিনি।

এদিকে বিজয়ের বক্তব্য এবং মনু জোসেফের প্রতিক্রিয়া ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে তুমুল আলোচনা। কেউ বিজয়ের বক্তব্যকে সমর্থন করছেন, আবার কেউ সহপাঠীর মন্তব্যকে বাস্তবসম্মত বলেও মত দিচ্ছেন।

অন্যদিকে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের পর আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বিজয়ের বাবা এস এ চন্দ্রশেখর। তিনি বলেন, ‘ও আমার স্বপ্ন পূরণ করেছে। একজন বাবা হিসেবে এর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু হতে পারে না।’

আরও পড়ুন:
খাবারের কষ্ট পেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়, সংগ্রামের গল্প শোনালেন বাবা
রণবীরের ‘ধুরন্ধর ২’ বক্স অফিসে এখনও অপ্রতিরোধ্য

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের বিয়ে হয়েছিল ১৯৭৩ সালে, বিজয়ের জন্ম ১৯৭৪ সালে। তখন আমি সহ-পরিচালক হিসেবে কাজ করতাম। একটা সময় খাবারের জন্যও সংগ্রাম করতে হয়েছে। বিজয় সেই দিনগুলোর কথা এখনো মনে রেখেছে।’

এমএমএফ/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।