এফডিসির ৮ নম্বর ফ্লোরের বারান্দায় করুণ দশা


প্রকাশিত: ০৭:৫১ এএম, ০৫ ডিসেম্বর ২০১৬
ছবি : মঞ্জুরুল আলম

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের (এফডিসি) বেশ কিছু ফ্লোরের বারান্দা দখল করে রেখেছে শুটিং সেটের বাঁশ, কাঠ আর বিভিন্ন সরঞ্জাম। এর মধ্যে করুণ চিত্র ৮ নম্বর ফ্লোরের বারান্দায়।

শুটিং সেট তৈরির কাঠ, বাঁশের লাঠি, পাতলা কাঠের সিঁড়ি দিয়ে পুরো বারান্দা ঠাঁসা। দেয়াল আর আসবাবের মাঝখানে মাত্র দেড় হাত চওড়া স্থান দিয়ে রয়েছে হাঁটার জায়গা, যা দিয়ে ঠিকমতো হাঁটাচলা ও মালামাল আনা নেয়া সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই দৃশ্য ৮ নম্বর ফ্লোরের শুরু থেকে শেষ মাথা পর্যন্ত।

মূল গেট দিয়ে ঢুকে এফডিসির ক্যান্টিন, শিল্পী সমিতি এবং পরিচালক সমিতি, চিত্রগ্রাহক সমিতিতে যাওয়ার জন্য হেঁটে সবচেয়ে সহজ পথ এই আট নম্বর ফ্লোরের বারান্দা। এই বারান্দা দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ যাতায়াত করে। তাই সেখানে অহেতুক এবং অবিবেচকের মতো নানা জিনিস দিয়ে ঠেসে রাখায় বিরক্ত এফডিসির মানুষজন।

অভিযোগ পাওয়া গেছে, বারান্দায় কাঠের আসবাবে হোঁচট খেয়ে রক্তারক্তিও হয়েছে। অনেকে ব্যথা পেয়েছেন। আর মালামাল নিয়ে যাতায়াত তো করাই যাচ্ছে না। শিল্পী-নির্মাতা সবাই বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

এ ব্যাপারে এফডিসির ৮ নম্বর (এটিএন বাংলা) ফ্লোর ইনচার্জ মোকাম্মেল বাবু বলেন, যে কাঠগুলো কিংবা শুটিং সেট নির্মাণের সরঞ্জাম বারান্দায় রাখা হয়েছে সেগুলো আট নম্বর ফ্লোরেরই। প্রতিনিয়ত ওই ফ্লোরে এটিএন বাংলার অনুষ্ঠান হওয়ায় সেগুলো ব্যবহার করা হয় সেট নির্মাণের জন্য। তারপর আবার বারান্দায় রাখা হয়।

তিনি বলেন, ‘জায়গা সংকুলানের কারণেই ওই সব জিনিস হয়তো বারান্দায় রাখা হয়েছে।’

কিন্তু আট নাম্বার ফ্লোরের সামনে বিরাট মাঠ খালি পড়ে আছে। সেখানে কেন এসব রাখা হচ্ছে না? এর জবাবে মোকাম্মেল বাবু বলেন, ‘এটা অবশ্য ঠিক। ইচ্ছে করলেই জিনিসপত্রগুলো বারান্দার নিচে নামিয়ে রাখা যায়। এখন তো শীতকাল। বৃষ্টির ভয় নেই। তবে যেহেতু মানুষের চলাচলের অসুবিধার কথা আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে বারান্দা পরিষ্কার রাখতে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে শিগগিরই ব্যবস্থা নেব।’

এনই/এলএ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]