এআই উন্নয়নে প্রায় ২৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে বাইটডান্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৪:৩৪ পিএম, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
টিকটকের মালিক প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্স/ ছবি : বাইটড্যান্স

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সক্ষমতা জোরদার করতে ২০২৬ সালে বড় পরিসরে মূলধন বিনিয়োগ বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে টিকটকের মালিক প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্স। এ খাতে কোম্পানিটি ১৬০ বিলিয়ন ইউয়ান (প্রায় ২২ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

দ্য ফিনান্সিয়াল টাইমস–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বিনিয়োগের প্রায় অর্ধেক অর্থ ব্যয় করা হবে উন্নত সেমিকন্ডাক্টর বা এআই চিপ কেনার জন্য যা বাইটড্যান্সের নিজস্ব এআই মডেল ও অ্যাপ্লিকেশন উন্নয়নে ব্যবহৃত হবে। 

এতে আরও বলা হয়েছে, এআই প্রসেসর কেনার খাতে ২০২৬ সালের জন্য বাইটড্যান্স প্রায় ৮৫ বিলিয়ন ইউয়ান বরাদ্দ রেখেছে। তবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অনিশ্চয়তা রয়েছে। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ নীতির কারণে এনভিডিয়ার উন্নত চিপে বাইটড্যান্সের প্রবেশাধিকার ঝুঁকির মুখে রয়েছে।

ফিনান্সিয়াল টাইমস আরও জানিয়েছে, বর্তমানে চীনের সবচেয়ে বড় এআই অবকাঠামো নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্স। তবে এআই খাতে তাদের ব্যয়ের পরিমাণ এখনও যুক্তরাষ্ট্রের বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর তুলনায় কম। মার্কিন বিগ টেক প্রতিষ্ঠানগুলো চলতি বছর সম্মিলিতভাবে ৩০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ করেছে এআই ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোতে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এনভিডিয়ার এইচ-২০০ সিরিজের এআই প্রসেসরের ওপর যদি বিধিনিষেধ শিথিল করা হয় তাহলে বাইটড্যান্স তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে। এদিকে, উন্নত হার্ডওয়্যারের প্রয়োজন মেটাতে বাইটড্যান্স এখনো বিভিন্ন স্থানে ডেটা সেন্টার ভাড়া নিয়ে তাদের এআই মডেল প্রশিক্ষণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

তবে সর্বশেষ প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, বাইটড্যান্স ধীরে ধীরে তাদের সবচেয়ে উন্নত এআই মডেলগুলোর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বিদেশি ডেটা সেন্টারে স্থানান্তরের পরিকল্পনা করছে। যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ ও প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার প্রেক্ষাপটেই এ কৌশলগত পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

কেএম 

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।