ইরানে অস্থিরতা উসকে দিতে ইসরায়েলের ডিজিটাল নেটওয়ার্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০২:২৩ পিএম, ১১ জানুয়ারি ২০২৬
ইরানে রেজা পাহলভিকে ক্ষমতায় বসাতে ইসরায়েলের একটি বিস্তৃত ও সংগঠিত অনলাইন ক্যাম্পেইনের তথ্য সামনে এসেছে/ ছবি: এআই দিয়ে বানানো

ইরানে অস্থিরতা উসকে দিতে ও পুনরায় রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে শেষ শাহের পুত্র রেজা পাহলভিকে ক্ষমতায় বসাতে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এরই মধ্যে দখলদার দেশটি থেকে পরিচালিত একটি বিস্তৃত ও সংগঠিত অনলাইন ক্যাম্পেইনের বিস্তারিত তথ্য উঠে এসেছে।

কানাডার টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সংস্থা সিটিজেন ল্যাবের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গত বছর ইসরায়েলের বিমান হামলার সময় তেহরানের এভিন কারাগার ঘিরে পারস্য ভাষায় ডিপফেক ভিডিও ও ভুয়া তথ্য ছড়ানো হয়। একই সঙ্গে ইসরায়েলের প্রভাবশালী গণমাধ্যম দ্য মার্কার ও হারেৎজের যৌথ তদন্তে জানা গেছে, এসব পারস্য ভাষার অনলাইন প্রচারণা পরোক্ষভাবে ইসরায়েলের অর্থায়নে পরিচালিত হয়েছে।

২০২৩ সালের শুরুতে রেজা পাহলভি প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক সফরে ইসরায়েল যান। তিনি ইরানের শেষ শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির পুত্র। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবে তার বাবা ক্ষমতাচ্যুত হন ও ইরানে আয়াতুল্লাহদের নেতৃত্বে নতুন শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।

ইসরায়েলের তৎকালীন গোয়েন্দামন্ত্রী ও বর্তমান বিজ্ঞানমন্ত্রী গিলা গামলিয়েল তাকে ‘ইরানের যুবরাজ’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন। এই সফরটি হারেৎজসহ ইসরায়েলি গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়। প্রতিবেদনে সরকারি বক্তব্যের প্রতিধ্বনি করে বলা হয়, ইসরায়েল ও ইরানের জনগণের মধ্যে শত্রুতা নেই; বিরোধ কেবল ইসরায়েলি সরকারের সঙ্গে তেহরানের শাসকগোষ্ঠীর।

ইরানি প্রবাসীদের একটি অংশের মধ্যে রেজা পাহলভির কিছু জনপ্রিয়তা থাকলেও, ইরানের ভেতরে জনগণ তাকে নেতা হিসেবে চায় কি না, তা স্পষ্ট নয়। তিনি এমন একজন সাবেক স্বৈরশাসকের পুত্র, যিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমর্থন পেয়েছিলেন। তার বাবার শাসনামল পশ্চিমা সংস্কৃতির প্রতি উন্মুক্ত হলেও দুর্নীতি, রাজনৈতিক দমন-পীড়ন ও বিরোধীদের ওপর নির্যাতনের জন্য কুখ্যাত ছিল।

বাবার বিপরীতে রেজা পাহলভি শান্তি, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের কথা বলেন। গিলা গামলিয়েলের সঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে তাকে প্রশ্ন করা হয়, ইরানি জনগণ কীভাবে আয়াতুল্লাহদের শাসন থেকে মুক্তি পাবে। উত্তরে তিনি সাবলীল ইংরেজিতে বলেন, লেহ ওয়ালেসার পোল্যান্ড থেকে নেলসন ম্যান্ডেলার দক্ষিণ আফ্রিকা, বহু সফল আন্দোলনই অহিংস গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে পরিবর্তন এনেছে, বাইরের হস্তক্ষেপ ছাড়াই। এরপর তিনি বক্তব্য সংশোধন করে যোগ করেন, এসব আন্দোলন আন্তর্জাতিক সমর্থন ছাড়া সফল হতো না, এ যুক্তিতেই তিনি ইসরায়েল সফরের ব্যাখ্যা দেন।

ইসরায়েলের মতো ইরানের চিরশত্রু দেশে সফর নিয়ে কী প্রতিক্রিয়া পাচ্ছেন- এমন প্রশ্নে তিনি সাংবাদিকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দেখতে বলেন। টুইটার, ইনস্টাগ্রামসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ার কথা দাবি করে বলেন, নিজেরা খোঁজ নিলেই উত্তর চোখের সামনে পাওয়া যাবে।

হারেৎজ ও দ্য মার্কারের অনুসন্ধানের প্রেক্ষাপটে তার এই বক্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে। তদন্তে জানা যায়, পারস্য ভাষায় একটি বৃহৎ ডিজিটাল ক্যাম্পেইন পরিচালিত হচ্ছিল, যার কেন্দ্র ইসরায়েল ও অর্থায়ন করছিল এমন একটি বেসরকারি সংস্থা, যা ইসরায়েলের সরকারি সহায়তা পায়।

এই ক্যাম্পেইনে রেজা পাহলভির ভাবমূর্তি জোরালোভাবে তুলে ধরা হয় ও পুনরায় রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান ছড়ানো হয়। এতে ব্যবহার করা হয় ‘অ্যাভাটার’- অর্থাৎ ইরানি নাগরিক সেজে তৈরি করা ভুয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট। প্রথমে ইসরায়েল ও বিদেশের গবেষকেরা এসব ভুয়া নেটওয়ার্ক শনাক্ত করেন।

দ্য মার্কার ও হারেৎজকে তথ্য দেওয়া সূত্রগুলো জানিয়েছে, গাজা যুদ্ধ শুরুর পর ও পাহলভির সফরের পর এই অনলাইন ক্যাম্পেইন আরও বিস্তৃত হয়। এটি ইসরায়েলের বৃহত্তর একটি ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রভাবিত করার অভিযানের’ অংশ ছিল, যেখানে ইংরেজি ও জার্মান ভাষার প্রচারণাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

প্রকল্পটির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত পাঁচটি সূত্র জানায়, এতে পারস্য ভাষাভাষী ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে তিনজন নিশ্চিত করেছেন, এই নির্দিষ্ট অভিযানের সঙ্গে প্রকল্পটির সরাসরি সংযোগ ছিল ও তারা নিজের চোখে পাহলভিপন্থি বার্তা ছড়াতে দেখেছেন। এক্স (সাবেক টুইটার) ও ইনস্টাগ্রামে ভুয়া অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে বার্তা তৈরি ও ছড়ানো হতো।

দুটি সূত্র জানায়, এতে ইসরায়েলে পাহলভির ঘনিষ্ঠ মিত্র গিলা গামলিয়েলের পোস্টও প্রচার করা হয়। যেহেতু এই অভিযান পরোক্ষভাবে করদাতাদের অর্থে পরিচালিত ও ইসরায়েলের ভূরাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহৃত হচ্ছিল, তাই সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ একজন মন্ত্রীর প্রচারে ব্যবহারের চাপ নিয়ে অস্বস্তি প্রকাশ করেন।

হারেৎজ আগেই এই নেটওয়ার্কের কিছু অংশ প্রকাশ করেছিল। সূত্রগুলো জানায়, এটি সেই পাহলভিপন্থি কট্টর নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত, যা প্রথম শনাক্ত করেছিলেন স্বাধীন গবেষক নিতসান ইয়াসুর ও গিল ফেল্ডম্যান এবং প্রথম প্রতিবেদন করেন হারেৎজের বার পেলেগ। তখন এটিকে বিদেশি প্রভাব অভিযান মনে করা হলেও, প্রকৃতপক্ষে এর শিকড় ছিল ইসরায়েলেই।

দ্য মার্কার ও হারেৎজের অনুসন্ধানে জানা যায়, এই অভিযানে বেসরকারি সরবরাহকারীদের মাধ্যমে সেবা নেওয়া হয়েছিল, যারা রাষ্ট্রের বাইরেও কাজ করতে পারে।

এদিকে, এই নেটওয়ার্কই একমাত্র নয়। টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের সিটিজেন ল্যাব গবেষকেরা ইসরায়েলের পারস্য ভাষার অনলাইন অভিযানের বিষয়ে দ্য মার্কার ও হারেৎজের কাছে তথ্য দিলে নতুন করে অনুসন্ধান শুরু হয়।

ইসরায়েলি সাংবাদিকদের খুঁজে পাওয়া নেটওয়ার্কের পাশাপাশি সিটিজেন ল্যাব আরও একটি কট্টর ইসরায়েলপন্থি পারস্য ভাষার ‘প্রভাব ক্যাম্পেইন’ শনাক্ত করেছে, যা শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) প্রকাশিত প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়। এতে ডজনেরও বেশি ভুয়া অ্যাকাউন্ট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট ছড়িয়েছে। গবেষকদের মতে, এটি সম্ভবত ইসরায়েল সরকার বা তাদের পক্ষে কাজ করা কোনো ঠিকাদার পরিচালনা করেছে।

এই সিদ্ধান্তের পেছনে কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, ১২ দিনের ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের সঙ্গে অনলাইন কনটেন্টের সময়সূচির স্পষ্ট মিল পাওয়া গেছে। এমনকি, এভিন কারাগারে হামলার আগেই কনটেন্ট প্রস্তুত থাকার ইঙ্গিত মেলে।

পাহলভির ভূমিকা

১৯৭৯ সালের শাহবিরোধী গণ-অভ্যুত্থানে রেজা পাহলভির পরিবার তেহরান ছাড়তে বাধ্য হয়। নির্বাসনে থাকা অবস্থায় কায়রোতে তার বাবার মৃত্যু হয়, তখন পাহলভির বয়স ছিল ২০ এর কোঠায়। রাজতন্ত্রপন্থিরা তখন তাকে উত্তরাধিকারী ঘোষণা করেন।

৪৫ বছর ধরে তিনি বিদেশে বসে আয়াতুল্লাহদের শাসনের সমালোচনা করে আসছেন। ইসরায়েল ধীরে ধীরে তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে, যা শাসন পরিবর্তনের প্রচেষ্টার অংশ বলে মনে করা হয়। গিলা গামলিয়েলই নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার বৈঠক আয়োজন করেন।

তেল-আবিবভিত্তিক ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজের গবেষক রাজ জিম্মত বলেন, অধিকাংশ ইরানি পরিবর্তন চাইলেও, তারা রাজতন্ত্র ফেরাতে আগ্রহী নন। তার মতে, পাহলভি ইরানিদের প্রথম পছন্দ নন, কারণ তিনি ১৯৭০-এর দশকের পর আর কখনো ইরানে পা রাখেননি।

জিম্মত আরও বলেন, ইসরায়েলের প্রকাশ্য সমর্থন খামেনির সেই বয়ানকে শক্তিশালী করে, যেখানে বলা হয়, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে আবার রাজতন্ত্র ও ক্লায়েন্ট রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। তার মতে, এটি কূটনীতির চেয়ে বেশি জনসংযোগমূলক উদ্যোগ।

যদিও রেজা পাহলভি দাবি করেন, তিনি কোনো পদে প্রার্থী নন, তবুও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে শাহ বানানোর আহ্বান জোরালো হয়েছে। সূত্রগুলো জানায়, এই প্রচেষ্টার বড় অংশই ইসরায়েল থেকে পরিচালিত ভুয়া অ্যাকাউন্ট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে।

হারেৎজ আগে যে নেটওয়ার্ক উন্মোচন করেছিল, সেখানে শত শত সন্দেহভাজন ভুয়া অ্যাকাউন্ট পাওয়া যায়, যারা #KingRezaPahlavi হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে পাহলভির প্রচার চালায় ও গিলা গামলিয়েলের পোস্টও শেয়ার করে। প্রায় এক হাজারের কাছাকাছি এসব অ্যাকাউন্টের সবকটি একই অভিযানের অংশ না হলেও, একটি বৃহত্তর নেটওয়ার্কের অস্তিত্ব স্পষ্ট হয়।

এই নেটওয়ার্ক উন্মোচনের সূত্রপাত হয় ‘নেক্সট ইয়ার ইন ফ্রি তেহরান’ শিরোনামের একটি এআই-নির্মিত ভিডিও থেকে, যেখানে নেতানিয়াহু, তার স্ত্রী, গিলা গামলিয়েল, তার সঙ্গী, রেজা পাহলভি ও তার স্ত্রীকে তেহরানের রাস্তায় হাঁটতে দেখা যায়। ভিডিওটি বিপুলসংখ্যক ভিউ পায়, যা মূলত কৃত্রিমভাবে বাড়ানো হয়েছিল বলে মনে করা হয়।

এভিন কারাগার ও ‘প্রিজন ব্রেক’

সিটিজেন ল্যাবের নতুন প্রতিবেদনের কেন্দ্রবিন্দু এভিন কারাগারে ইসরায়েলি হামলার সময় অনলাইনে চালানো একটি সমন্বিত প্রচারণা, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্রিজন ব্রেক’। ২৩ জুন সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে হামলা শুরু হয় ও প্রায় এক ঘণ্টা চলে। ইরানি গণমাধ্যমে খবর আসার আগেই, ১১টা ৫২ মিনিটে ভুয়া অ্যাকাউন্টগুলো ‘কারাগার এলাকায় বিস্ফোরণ’ হওয়ার দাবি করে পোস্ট দেয়।

কয়েক মিনিট পর একটি ভিডিও ছড়ানো হয়, যা পরে নিউইয়র্ক টাইমস তদন্তে ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়। কিন্তু ততক্ষণে বিশ্বজুড়ে বহু গণমাধ্যম সেটি প্রচার করে ফেলেছিল।

সিটিজেন ল্যাবের মতে, এই অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল ইরানে অস্থিরতা সৃষ্টি করা। হামলার পর ভুয়া অ্যাকাউন্টগুলো ইরানের সাধারণ মানুষকে কারাগারে গিয়ে বন্দিদের মুক্ত করার আহ্বান জানায়। যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ‘তেহরান অরক্ষিত’ এ ধরনের বার্তা ছড়ানো হয় ও মানুষকে ব্যাংক লুটের মতো উসকানিমূলক পরামর্শ দেওয়া হয়।

এছাড়া রাত ৮টায় ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে ‘খামেনির মৃত্যু হোক’ ও ‘স্বৈরাচারের পতন চাই’- এই বাস্তব আন্দোলনেও ভুয়া নেটওয়ার্ক যুক্ত হয়। তারা বাস্তব আন্দোলনের হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে ভুয়া ভিডিও ছড়ায়।

গবেষকেরা বলেন, সব ভিডিও এআই দিয়ে তৈরি নয়; কিছু মানবসম্পাদিত ভিডিওও ছিল, যেগুলো হাজার হাজার ভিউ পায়। পাশাপাশি ভুয়া বিবিসি পার্সিয়ান প্রতিবেদনের স্ক্রিনশট ও এক ইরানি গায়িকার ডিপফেক প্রতিবাদী গানও ছড়ানো হয়, যা বিবিসি সম্পূর্ণ ভুয়া বলে নিশ্চিত করেছে।

সিটিজেন ল্যাবের গবেষক আলবার্তো ফিত্তারেলি বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর উচিত এ ধরনের ক্যাম্পেইন চালানো থেকে বিরত থাকা। তার মতে, ‘প্রভাব অভিযানের’ পেছনের শক্তি শনাক্ত করা কঠিন, কারণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোই মূল তথ্যের নিয়ন্ত্রক।

সূত্র: হারেৎজ

এসএএইচ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।