চীনের কাছে কী চান ট্রাম্প?
দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে বুধবার (১৩ মে) চীনে পৌঁছেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার ক্ষেত্রে বরাবরের মতোই, এই সফরের একটি বড় অংশ হবে কেবল দেখানো কিংবা প্রচার।
তিনি রাষ্ট্রীয় জাঁকজমকের মাঝে শক্তিশালী নেতাদের সঙ্গে ছবি তুলতে খুবই পছন্দ করেন। যদিও নীতির দিক থেকে দেখলে পরিস্থিতি অনেক বেশি জটিল।
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে জনঅসন্তোষের কারণে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তার হার দ্রুত কমছে ও এ বছরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের আশঙ্কাও বাড়ছে। যেহেতু এই মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে ইরান যুদ্ধের সম্পর্ক রয়েছে, তাই যদি বেইজিং তেহরানের ওপর চাপ প্রয়োগে রাজি হয়, তাহলে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আলোচনা কিছুটা সহায়ক হতে পারে।
তবে এটি ট্রাম্পের জন্য অত্যন্ত কঠিন একটি লক্ষ্য। বিনিময়ে শি জিনপিং ওয়াশিংটনের তাইওয়ানের প্রতি সমর্থন, বিশেষ করে অস্ত্র সরবরাহ নিয়ে ট্রাম্পের কাছ থেকে কিছু ছাড় চাইতে পারেন।
বেইজিং স্বশাসিত দ্বীপ তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ বলে দাবি করে। তবে হোয়াইট হাউজ এরই মধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছে যে, তারা তাইওয়ান নীতিতে কোনো পরিবর্তন আনবে না।
ট্রাম্পের জন্য তুলনামূলক সহজ সাফল্য হতে পারে বাণিজ্য খাতে। গত বছর চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে করা শুল্কবিরতির বর্তমান সমঝোতা অব্যাহত রাখা হতে পারে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাত- বিশেষ করে, প্রতিরক্ষা শিল্পের জন্য অত্যাবশ্যক চীনা বিরল খনিজ ও চুম্বকের সরবরাহ অব্যাহত থাকবে।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে চীনা বিনিয়োগ নিয়ে নতুন প্রতিশ্রুতির দিকেও নজর রাখা উচিত, যেমন বোয়িং বিমান কেনা ও আরও বেশি মার্কিন সয়াবিন আমদানি, যা নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ কিছু অঙ্গরাজ্যের হতাশ কৃষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
সূত্র: বিবিসি
এসএএইচ