গ্রেফতারের পর যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হলো মাদুরোর মিত্র অ্যালেক্স সাবকে
ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর ঘনিষ্ঠ সহযোগী অ্যালেক্স সাবকে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরত পাঠানো হয়েছে। কলম্বিয়ান-ভেনেজুয়েলান এই ব্যবসায়ীকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর বিষয়টি শনিবার (১৬ মে) নিশ্চিত করেছে ভেনেজুয়েলার অভিবাসন সংস্থা সাইমে (এসএআইএমই)।
একজন মার্কিন আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারিতে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার আইন প্রয়োগকারী সংস্থার এক যৌথ অভিযানে সাব গ্রেফতার হন। এর ঠিক এক মাস আগে কারাকাসেই মার্কিন বিশেষ বাহিনীর অভিযানে গ্রেফতার হন মাদুরো।
অ্যালেক্স সাবের এই গ্রেফতার ও বহিষ্কারের ঘটনাকে দুই দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মধ্যে সহযোগিতার এক নতুন স্তর হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভেনেজুয়েলার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজের অধীন দুই দেশের মধ্যে এমন সহযোগিতার সম্পর্ক দেখা যাচ্ছে। দেলসি এর আগে মাদুরোর ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
কলম্বিয়ায় জন্মগ্রহণকারী ৫৪ বছর বয়সী ব্যবসায়ী অ্যালেক্স সাব এর আগে ২০২০ সালে কেপ ভার্দেতে গ্রেফতার হন। তখন ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে তাকে যুক্তরাষ্ট্রে বন্দি রাখা হয়েছিল। পরে ২০২৩ সালে ভেনেজুয়েলায় আটক মার্কিন নাগরিকদের মুক্তির বিনিময়ে একটি বন্দী বিনিময় চুক্তির আওতায় সাবকে বিশেষ ক্ষমায় মুক্তি দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলেছে, সাবেক প্রেসিডেন্ট মাদুরোর বিরুদ্ধে আনা অপরাধমূলক মামলাগুলো আরও জোরালো করতে মার্কিন কর্তৃপক্ষকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে পারেন এই ব্যবসায়ী।
উল্লেখ্য, মাদক-সন্ত্রাসবাদের ষড়যন্ত্রসহ বিভিন্ন ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে ‘সিনেমার কায়দা’ নিউইয়র্কে তুলে নিয়ে যায় মার্কিন বাহিনী। তবে তারা দুজনই তাদের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
এ বহিষ্কারের বিষয়ে অ্যালেক্স সাবের আইনজীবী লুইজি জিউলিয়ানোর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
সূত্র: রয়টার্স
এসএএইচ