জাপানে ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্প সবসময় হয়


প্রকাশিত: ০৩:৫৩ এএম, ২৭ এপ্রিল ২০১৫
ফাইল ছবি

নেপালে যে মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে তা জাপানে একটি স্বাভাবিক ঘটনা বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। বলা হয়েছে, জাপানে গড়ে ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্প সব সময় ঘটে। অথচ সেখানে একজন মানুষেরও মৃত্যু হয় না এবং কোন ভবনও ধসে পড়ে না। এজন্য জাপানকে ভূমিকম্পের দেশ বলা হয়।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভূগর্ভের গঠন পরিবর্তনের ফলে প্রকৃতির নিজস্ব নিয়মে কেঁপে উঠছে পৃথিবী। তার প্রবল ঝাঁকিতে লণ্ডভণ্ড হয়ে যাচ্ছে জনপদ। আর এই প্রাকৃতিক দুর্যোগটি এমন যে, এর কোন আগাম সংকেত দেয়া যায় না। কিন্তু সতর্কতা ও পরিকল্পনার মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতিমুক্ত থাকা যায়। যার উৎকৃষ্ট উদারহণ জাপান।

হিমালয় ভূতত্ত্ববিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘ওয়াদিয়া ইন্সটিটিউট অব হিমালয়ান জিওলোজি’র গবেষক অজয় পাল বলেন, উৎকৃষ্ট নগর পরিকল্পনাই ভূমিকম্প প্রতিরোধের কার্যকর উপায়।

তিনি আরও বলেন, পরিকল্পনা ও খাপ খাওয়ানোর মাধ্যমে ভূমিকম্পের জন্য আমাদের প্রস্তুত করতে হবে। আমরা প্রস্তুত থাকলে ৯০ শতাংশ ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব। জাপানের ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্প নিয়মিত ঘটনা। অথচ ক্ষয়ক্ষতি হয় না বললেই চলে।  সুপরিকল্পিত উপায়ে নগরায়ন ও বসবাস হলে ভূমিকম্প কোনো প্রভাব ফেলবে না।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদফতরের (ইউজিএসজি) ভূমিকম্পবিদ ডেভিড ওয়ালড জানান, ৭.৯ মাত্রার ভূমিকম্পের প্রভাব বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে হবে ভিন্ন ভিন্ন। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রতি ১০ লাখ মানুষের মধ্যে প্রাণ হারাতে পারেন ১০ থেকে ৩০ জন। একই সময়ে নিহতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে পাকিস্তান, ভারত, ইরান ও চীনে। অপরিকল্পিত নগরায়নেই বাড়ছে দুর্ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতি। দ্য নেশন।

এসএস/এআরএস/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।