ভাইরাল হয়ে যাওয়া দারুণ ব্যাঙ্গাত্মক এক পদত্যাগপত্র!
চাকরি ছেড়ে যাওয়ার সময় বুদ্ধিমানেরা সাধারণত ফেরার পথটা বন্ধ করে যেতে চাননা । ভদ্রোচিত বিদায়ের মাধ্যমেই চাকরি বদলানো চাকুরি-শিষ্টতার মধ্যেও ধরা হয়। তাই তিতিবিরক্ত হয়ে, উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বা সহকর্মীর অসহনীয় আচরণে বাধ্য হয়ে চাকরি ছাড়তে হলেও সাধারণত আমাদের সব রাগ-ক্ষোভ চেপে হাসিমুখে বিদায় জানিয়ে আসতে হয়।
কিন্তু সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যম রেডিট-এ একটি মজার পদত্যাগপত্র পোস্ট করা হয়েছে, যাতে পদত্যাগকারী ব্যক্তি দারুণ ব্যাঙ্গাত্মকভাবেই সমালোচনা করেছেন তার চাকুরিদাতা প্রতিষ্ঠানের।
চিঠির লেখকের নাম, ঠিকানা এবং প্রতিষ্ঠানটির নামও গোপন রাখা হয়েছে ব্যক্তিগত স্বার্থরক্ষার খাতিরে। কিন্তু দারুণ মজার এই পদত্যাগপত্রটি যে যুক্তরাষ্ট্রেরই কারো, তা অনুমান করা যায়। কারণ, অ্যাপলোজাইজ বানান এবং তারিখ লেখার নিয়মটি সেখানে দেখা গেছে আমেরিকান রীতি অনুসরণ করেছে।
কর্মস্থলের অমানবিক আচরণ আর বাধ্য হয়ে তা মেনে নেওয়ার নিত্য অভিজ্ঞতার মধ্যে চেপে না গিয়ে রসিকতার মধ্য দিয়ে রুঢ় বাস্তবতাটিকে আঙুল তুলে দেখিয়ে দেয়ায় অল্প সময়েই ভাইরাল হয়ে গেছে এই পদত্যাগপত্র।
পদত্যাগপত্রটিতে যা লেখা ছিল-
"আমি দুঃখিত, যে ক্যান্সারে আমার সৎ-মা হঠাৎ মারা যান।
আমি দুঃখিত যে আমি রোবট নই এবং তার মৃত্যুতে আবেগগতভাবে আক্রান্ত হয়ে আমাকে কাজ থেকে ছুটি নিতে হয়েছে।
আমি দুঃখিত যে অসুস্থ হয়ে আমাকে কাজ থেকে ছুটি নিতে হয়েছিল যেন আমি আর কাউকে অসুস্থ না করে ফেলি।
আমি দুঃখিত যে গত ৭ মাস যাবত আমি সপ্তাহে সাড়ে ৪৭ ঘণ্টা কাজ করছি (ওভারটাইম বাবদ পাওনা টাকা না পেয়েই) এবং যে কারণে যথাসময়ে ডাক্তার দেখানোর সুযোগটুকু আমার কপালে জোটনি।
কোনো সন্দেহ নেই, আমি একেবারেই অপদার্থ একজন কর্মী এবং সেজন্য আমি ক্ষমা চাই।
আমি জানি, কীভাবে কাজ করা উচিৎ তা বলতে যাওয়া আপনার ভীষণ অপছন্দ, কিন্তু আমাকে এবার বলতেই হচ্ছে, একেবারেই দেরি না করে আপনি আমার বিকল্প কাউকে খুঁজে নিন”
এসআরজে