সংখ্যালঘু কিশোরীকে দলগত ধর্ষণের পর হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৪৪ এএম, ২১ ডিসেম্বর ২০১৭ | আপডেট: ১১:৪৮ এএম, ২১ ডিসেম্বর ২০১৭
সংখ্যালঘু কিশোরীকে দলগত ধর্ষণের পর হত্যা

মাত্র ১৪ বছরের একজন সংখ্যালঘু কিশোরীকে দলগত ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত মঙ্গলবার। বিক্ষুব্ধ জনতা ওইদিন বিকেলেই থানার বাইরে জড়ো হয়ে অভিযুক্ত দু’জনকে বেধড়ক পিটিয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের কর্ণাটকের বিজাপুর জেলায়। তদন্ত কর্মকর্তা বাসাভরাজ পাটেল জানিয়েছেন, মঙ্গলবার বিকেলেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সন্দেভাজন দু’জনকে থানায় নিয়ে আসা হয়।

তিনি আরও জানান, নবম শ্রেনিতে পড়তো ওই কিশোরী। মঙ্গলবার দুপুর পর চাচাতো বোনের সঙ্গে স্কুলের বাইরে বের হয়ে হাঁটতে হাঁটতে বাড়ির দিকে রওনা হয় সে।

তিনি একনাগাড়ে বলতে থাকেন, রাস্তায় দুজন লোক মোটরসাইকেল যোগে এসে ওই কিশোরীকে ধরে নিয়ে যায়। রিক্সায় করে আসা আরও চারজন তাদের সঙ্গে যোগ দেয়।

কিশোরীর চাচাতো বোন তড়িঘড়ি করে স্কুলে এসে শিক্ষকদের কাছে বিষয়টি খুলে বলে। এরপর শিক্ষকরা দ্রুত মাঠের মধ্যে গিয়ে দেখেন, অচেতন অবস্থায় পড়ে আছে কিশোরীর নিথর দেহ। তার শ্বাস-প্রশ্বাস চলছে না।

তাৎক্ষণিকভাবে একটি অ্যাম্বুলেন্স ডাকা হয়। ইতোমধ্যে সেখানে হাজির হন কিশোরীর মা-বাবা। পরে সবাই মিলে ওই কিশোরীকে সরকারি একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

হাসপাতালে যাওয়ার পর চিকিৎসকরা জানান, ইতোমধ্যেই কিশোরী মারা গেছে। পরে অপহরণ, ধর্ষণ এবং হত্যার ব্যাপারে একটি মামলা করা হয়।

এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা সবাই সংখ্যালঘু তরুণ। সবাইকে গ্রেফতার করা হয়েছে নিহতের চাচাতো বোনের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে। বর্তমানে তারা পুলিশি হেফাজতে রয়েছে।

কিশোরীর মা-বাবা এবং বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর দাবি, জঘন্য ধরনের কর্মকাণ্ডের যেন সুষ্ঠু বিচার করা হয়। পানিসম্পদ মন্ত্রি এমবি পাটিল ইতোমধ্যেই বিক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সুষ্ঠু বিচার করার আশ্বাস দিয়েছেন।

সূত্র : টিএনএম

কেএ/আরআইপি