পরপর ২ দিন মোদির কাছে মমতার চিঠি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:৩২ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১

ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পরপর দুইদিন দু’টি চিঠি পাঠালেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমটি ছিল করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের জন্য। দ্বিতীয়টি গেছে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন একটি নির্দেশিকা প্রত্যাহারের দাবিতে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুসারে, গত ১৫ জানুয়ারি অনলাইন ক্লাস ও সেমিনার আয়োজন সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা জারি করে দেশটির কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে বলা হয়, ভারতের নিরাপত্তা এবং সীমান্ত বিষয়ক কোনও আন্তর্জাতিক সেমিনার বা সম্মেলন অনলাইনে করা যাবে না এবং আলোচনায় জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ বা উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলো নিয়ে কোনও কথা বলা যাবে না।

কোনও ধরনের আন্তর্জাতিক সেমিনার বা সম্মেলন আয়োজনের আগে প্রতিষ্ঠানগুলোকে অবশ্যই কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের অনুমতি নিতে হবে বলে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এসব বিধিনিষেধের বিরোধিতা করে নরেন্দ্র মোদির কাছে বৃহস্পতিবার চিঠি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লিখেছেন, নতুন নিয়মের কারণে গ্রাম ও ছোট শহরের ছাত্র-শিক্ষকরা সমস্যায় পড়তে পারেন। তারা জ্ঞান আহরণের অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।

মমতার অভিযোগ, কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্দেশিকা জারির আগে রাজ্য সরকারের সঙ্গে কোনও ধরনের আলোচনা করেনি। অথচ রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পরিচালনার ক্ষমতা রাজ্য সরকারের হাতেই থাকে। তাদের সঙ্গে আলোচনা না করে কীভাবে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী।

মমতার বক্তব্য, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোরও নিজস্ব কিছু ক্ষমতা এবং স্বাধীনতা রয়েছে। তারা কীভাবে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করবে, সেই ক্ষমতা তাদেরই থাকার কথা।

জ্ঞান কখনোই নির্দিষ্ট দেশ কিংবা জাতি-ধর্মের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না উল্লেখ করে তিনি দ্রুত এই নিয়ম প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন চিঠিতে।

এর আগে, গত বুধবার পশ্চিমবঙ্গের সব নাগরিককে বিনামূল্যে করোনা ভ্যাকসিন দিতে কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমতি চেয়ে মোদির কাছে চিঠি দিয়েছিলেন মমতা।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস, আনন্দবাজার পত্রিকা

কেএএ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]